শনিবার, ৩১ মে, ২০১৪

টিপস

নাগরিক জীবনে বাগানের শখটা অনেকেই পূরণ করেন বারান্দা অথবা ছাদে টবে গাছ লাগিয়ে। ফুলগাছের উজ্জল রঙিন ফুল অথবা পাতাবাহারের বাহারি রঙ, মনে ভালো করে দেবার জন্য যথেষ্ট! আপনার শখের বাগানের ফুলগাছগুলোর ফুল আরো বড়, আরো উজ্জল করে তুলতে চান? না, কোনো বিশেষ সার ব্যবহার করতে হবে না। ঘরের ফেলনা জিনিসেই হবে? কী সেই জিনিস? জেনে নিন।
অসুখ হলে ওষুধ তো খেতেই হয়, তাই না? প্রায় সব বাড়িতেই কিছু না কিছু ওষুধের মজুদ থাকেই। মেয়াদউত্তীর্ণ ভিটামিন, আয়রন ইত্যাদি ট্যাবলেট থাকলে সেগুলো পানিতে গুলে গাছের গোড়ায় দিন। গাছের ফুল হবে আরো বড়, আরো রঙিন।

মেঘ

টিপস

ব্যবহারে সুবিধা বলে অনেকেই প্লাস্টিকের বোতলে পানি রাখেন। কাচের বোতলের মতো ভঙ্গুর নয় বলে এগুলো নিরাপদও। তবে প্লাস্টিকের বোতলের সমস্যা হলো এতে খুব দ্রুত শেঁওলা পড়ে যায়। পানির আয়রন বা ময়লাও বোতলের নিচে দাগ ফেলে। খাবার পানির বোতল যদি এমন হয়, তাহলে কি আর সে বোতলে খেতে ইচ্ছে করবে? আপনি চাইলে মাত্র পাঁচ মিনিটেই কিন্তু পরিষ্কার, দাগমুক্ত করে ফেলতে পারবেন। কীভাবে? জেনে নিন।
বোতলের পানি ফেলে দিন। এর ভেতরে এক চা চামচ লবণ ও দুই চা চামচ পানি দিন। বোতলের আকার অনুযায়ী লবণ ও পানির পরিমাণ বাড়বে। এরপর বোতলের মুখ লাগিয়ে জোরে জোরে ঝাঁকাতে থাকুন। পাঁচ মিনিট পর পরিষ্কার পানি দিয়ে বোতলটা ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। বোতল হবে নতুনের মতো পরিষ্কার।

মেঘ

টিপস

অস্বীকার করে লাভ নেই যে বেশি খাওয়ার পর অনেকেরই পেট গুড়গুড় করে। কারো কারো পেটে ব্যথা, কখনো শুরু হয় ডায়রিয়া। কারো কারো হয়তো এসিডিটি হয়, ভারী ভারী ঠেকে পেট। এই সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আছে একটা সহজ ঘরোয়া উপায়। পেটের যাবতীয় অস্বস্তি তো সারবেই, সাথে সেরে যাবে ডায়রিয়াও। হ্যাঁ, আপনার ঘরে মজুদ সাধারণ উপাদানেই হবে চিকিৎসা!
লেবু ও পুদিনা রস করে নিন। এক চা চামচ পুদিনা রসের সাথে সব পরিমাণ লেবুর রস ও ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে তৈরি করুন শরবত। এবার এই শরবত ঠাণ্ডা ঠাণ্ডাই ছোট ছোট চুমুক দিয়ে পান করুন। পানের সাথে সাথে ব্যথা কিছুটা কম হবে। কিছুক্ষণের মাঝেই পেট ব্যথা অস্বস্তি থেকে আরাম মিলবে, ২/৩ বার পানের পর ডায়রিয়াও বন্ধ হয়ে যাবে।

মেঘ

এই গ্রীষ্মে যেমন হওয়া উচিৎ আপনার সাজসজ্জা

গ্রীষ্মকাল অনেকের কাছে বেশ পছন্দের একটি ঋতু, আবার অনেকের কাছে বেশ বিরক্তিকর। তবে প্রায় সবাই-ই এই ঋতুটিকে অপছন্দ করে থাকেন। কেননা এই ঋতুতে অতিরিক্ত গরমে সব ধরনের কাজ করতেই একরকম বিরক্তি চলে আসে। আবার সময়টা যদি হয় বর্ষার কাছাকাছি তখন তো আর কোনো উপায়ই থাকে না। কখন বুষ্টি কখন গরম আপনি ঠিক বুঝে উঠতেই পারবেন না। এই গ্রীষ্মকালে আমাদের অনেক কাজেই ঘরের বাইরে বের হতে হয়। তাই জেনে নিন গ্রীষ্মকালে ঠিক কেমন হওয়া উচিৎ আপনার মেকআপটি।

১. সানস্ক্রিন :

প্রচন্ড রোদের হাত থেকে আপনার ত্বককে সূর্যের বেগুনী রশ্মি থেকে বাঁচাতে এবং এক ধরনের টানভাব অক্ষুন্ন রাখতে আপনি এই গ্রীষ্মকালে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন। আপনি যেখানেই যান না কেন অবশ্যই আপনার ত্বকে সানস্ক্রিন লাগাবেন। এতে করে রোদে পোড়া ভাব থেকে আপনার ত্বক রক্ষা পাবে। এছাড়া এটি আপনার ত্বকে এক ধরনের উজ্জ্বলতা এনে দেবে।

২. প্রাইমার :

প্রাইমান মূলত এমন একটি জেল জাতীয় দ্রব্য যেটি ফাউন্ডেশনের আগে এবং মশ্চারাইজারের পরে ব্যবহার করতে হয়। এটি মেকআপের কঠিন ভাবকে সহনীয় করে তোলে। তাছাড়া অনেক সময় দেখা যায় অতিরিক্ত রোদে আপনার মেকআপটি গলে পড়ে যেতে পারে। এই প্রাইমার আপনার মেকআপটিকে ত্বকের সাথে সহনযোগ্য মাত্রায় বসিয়ে থাকে বলে এটির আর রোদের আলোয় গলে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ফলে এই গ্রীষ্মে আপনি যদি মুখে ফাউন্ডেশন দিতে চান তাহলে অবশ্যই তার আগে হালকা প্রাইমার লাগিয়ে নিন।

৩. ময়েশ্চারাইজার :

এই গ্রীষ্মকালে ত্বকের সুরক্ষায় অবশ্যই প্রতিদিন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিৎ। গ্রীষ্মকালের শুষ্ক ত্বকের অতিরিক্ত টানটান ভাব কমিয়ে দেয় এই মশ্চারাইজার। এছাড়া তৈলাক্ত ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ করে।

৪. মেকআপে পানি ব্যবহার :

এই গ্রীষ্মকালে আপনি হয়ত মেকআপ করলে সবসময় চিন্তিত থাকেন যে কখন আপনার মেকআপটি নষ্ট হয়ে যায়। এই চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে আপনি চাইলে আপনার ত্বকে ফাউন্ডেশন ব্যবহারের পরে হালকা পানি দিয়ে তা ত্বকের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে করে মেকআপটি ভালোভাবে ত্বকে বসে যাবে এবং তা নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।

৫. লিপগ্লস :

এই গ্রীষ্মকালে ঠোঁটের যতœ নেয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়ে পড়ে। ঠোঁটের যত্নে আপনি চাইলে লিপগ্লস ব্যবহার করতে পারেন। ম্যাট কোনো লিপস্টিকের উপরে হালকা গ্লস দিলে বেশ আকর্ষণীয় মনে হবে।

মেঘ

জেনে নিন নষ্ট হয়ে যাওয়া প্রসাধনীর লক্ষণগুলো

প্রতিদিন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিভিন্ন প্রসাধনী আমরা ব্যবহার করে থাকি। এসব প্রসাধনীর গায়ে মূলত একটা উৎপাদনের তারিখ বা মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ দেয়া থাকে যেটার আয়ু শেষ হলে সেই প্রসাধনীটি আর ব্যবহার করা উচিৎ না। মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পরও এসব প্রসাধনী ব্যবহারে আমাদের শরীরে এ্যালার্জীসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া মেয়াদ উত্তীর্ণ যে হয়েছে কিছুটা খেয়াল করলেই বোঝা যায়। কিছু বৈশিষ্ট্য এ ধরনের মেয়াদ উত্তীর্ণ প্রসাধনীতে দেখা যায়।

১. প্রসাধনীর বাহ্যিক গঠনে পরিবর্তন :

আপনার প্রসাধনীটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে কি না একটু খেয়াল করলেই তা বুঝতে পারবেন। মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে এর বাহ্যিক গঠনে কিছুটা পরিবর্তন দেখা যায়। হয়ত এর রং এর পরিবর্তন হতে পারে। কিছুটা হলদেটে ভাব আসতে পারে। একটু পুরুত্ব বা ঘনত্ব ভাব চলে আসতে পারে।

২. উৎকট গন্ধ :

মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া প্রসাধনীগুলোতে এক ধরনের উৎকট গন্ধের তৈরি হয়ে থাকে। আগে যেখানে ভালো কিছু ফ্লেভার যেমন বিভিন্ন ফুল বা সুগন্ধি ব্যবহারে একটা খুব সুন্দর গন্ধ থাকতো সেখানে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে এক ধরনের বিদঘুটে গন্ধ বের হয়। এমনটা হলে অবশ্যই বুঝবেন যে আপনার প্রসাধনীটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে।

৩. ত্বকে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া :

মেয়াদ উত্তীর্ণ প্রসাধনী ত্বকে ব্যবহার করলে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বিভিন্ন এ্যালার্জী দেখা দিতে পারে, ফোসকা উঠতে পারে, ত্বক লাল হয়ে যেতে পারে, চুলকাতে পারে এমনকি ঘা হয়ে যেতে পারে। এসব লক্ষণে সতর্ক হতে পারেন যে আপনার প্রসাধনীটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। তবে এটি বেশি দেরী হয়ে যায় এর আগেই সতর্ক হওয়া উচিৎ।

মেঘ

জেনে নিন সুন্দর ছবির জন্য "পারফেক্ট" সাজসজ্জার গোপন টিপস

ছবি ভালো আসে না মোটেই? আয়নায় নিজেকে দেখতে খুব সুন্দর মনে হলেও ছবিটা যেন দেখতে হয় ঠিক বাঁদরের মত? দোষ আপনার ক্যামেরার নয়, আপনার মেকআপের। বাস্তবে যে মেকআপ দেখতে ভালো লাগে তা ক্যামেরায় ভালো নাও লাগতে পারে। তাহলে কেমন সাজসজ্জা ভালো লাগে ক্যামেরায়? আসুন, জেনে নেয়া যাক "ক্যামেরা ফ্রেন্ডলি" সাজসজ্জার গোপন টিপস।
আমরা সচরাচর বাস্তবে যেমন মেকআপ করে থাকি ছবি তোলার সময়ে কিছু ভারী মেকআপ অবশ্যই নেয়া উচিৎ যদি আপনি চান যে আপনার ছবি ভালো আসুক। বাহিরে যাওয়ার সময়ে বা অফিসে যে ধরনের হালকা মেকআপ নিয়ে থাকি ছবি তোলার ক্ষেত্রে এর ভারী মেকআপ নিন। জেনে নিন ছবি তোলার মেকআপটি ঠিক কেমন হবে।
১. প্রথমত হালকা একটু পাফ নিয়ে নিতে পারেন। এটা আপনি যেমনটা প্রতিদিন বাহিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ে থাকেন তার চেয়ে একটু গাঢ় হবে।
২. চোখে গাঢ় করে কাজল বা আই লাইনার দিন। চোখের বেশ খানিকটা বাহির দিয়ে লাইনারটি দিন যেন চোখটিকে বেশ বড় দেখায়।
৩. মাশকারা দিন গাঢ় করে। এতে করে চোখটিকে উজ্জ্বল করবে এবং আপনার চোখের পাতাটিকে বেশ বড় দেখাবে।
৪. ছবি তোলার জন্য কখনই ম্যাট জাতীয় মেকআপ ব্যবহার করবেন না। কেননা এই মেকআপ আপনাকে ছবিতে উজ্জ্বল দেখাতে সহায়তা করবে না।
৫. আইশেড ব্যবহার করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে গাঢ় রং ব্যবহার করা ভালো। ড্রেসের রঙের সাথে ম্যাচ করে ব্যবহার করতে পারেন। প্রয়োজনে স্মোকি আই করতে পারেন।
৬. চোখটিকে আরও বড় করতে ফলস্ আইল্যাশ ব্যবহার করতে পারেন।
৭. ঠোঁটটিকে গাঢ়ভাবে আঁকুন। এরপরে গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে লিপস্টিকের উপরে গ্লস ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে ছবিটি অনেক বেশি গ্ল্যামারাস আসবে।
৮. চুল বাঁধুন সুন্দর করে । তবে আপনার চুল বিভিন্ন স্টাইলে কাটা থাকলে আপনি চাইলে চুল ছেড়েও দিতে পারেন। তাহলে আপনার ছবিটি অনেক ভালো আসবে।

মেঘ

এই গ্রীষ্মে পায়ের একটু অন্যরকম যত্ন

প্রতিদিন রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে গিয়ে আমাদের পা নানা ধরনের ময়লার সংস্পর্শে আসে। এতে পা অনেক বেশি রুক্ষ হয়ে যায়। পায়ের লাবণ্যতা হারিয়ে যায়। এছাড়া রোদে পা পুড়ে তো যায়ই। ফলে পায়ে কালচে ভাব চলে আসে। গ্রীষ্মকালে এ ধরনের সমস্যা অনেক বেশি হতে ওঠে। অন্যদিকে প্রায় সময়ই পার্লারে গিয়ে পেডিকিউর করা হয়ে ওঠে না। তাহলে কী করবেন? আজ ছুটির দিনে বাড়িতে বসেই সেরে ফেলুন না পায়ের দরকারি যত্ন। হ্যাঁ, খুব চটজলদি।

যেভাবে করবেন :

একটি বড় গামলার মাঝে কুসুম কুসুম গরম পানিতে আপনার পা ডুবিয়ে রাখুন। এতে ২ টেবিলচামচ ইপসম লবণ এবং প্রয়োজনীয় তেল যেমন লেভেন্ডার, গোলাপের তেলের কয়েক ফোঁটা দিন। এছাড়া কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিতে পারেন। স্ক্রাব করার জন্য এতে কিছু শ্যাম্পুর সাথে ঝামা পাথর ব্যবহার করতে পারেন। কিছুক্ষণ ভিজিয়ে পায়ের ময়লা পরিস্কার হয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন এবং পরিস্কার একটি তোয়ালে দিয়ে পা মুছে ফেলুন। এরপরে পা শুকিয়ে গেলে কিছু প্যাক ব্যবহার করুন।

১. লাচ্ছি প্যাক :

কিছু পরিমাণে দধি একটি বাটিতে গোলাপ তেল বা মোগরা তেলে মিশিয়ে নিন। মিশ্রিত উপকরণটি পায়ে লাগিয়ে কমপক্ষে ১ ঘণ্টা রাখুন। এরপরে এটি ধুয়ে ফেলুন এবং ঠান্ডা কোনো মশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

২. লেবুর প্যাক :

লেবু দিয়েও আপনি একটি প্যাক তৈরি করতে পারেন। এর জন্য একটি বাটিতে একটি লেবুর অর্ধেক অংশ থেকে রস বের করে নিন এবং এটি গোলাপ জলের সাথে মিশিয়ে নিন। আপনি পুরু একটি মিশ্রণ পেতে চাইলে এতে বেসনও মিশাতে পারেন। এই মিশ্রণটি পায়ে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৩. টমেটোর মিশ্রণ :

আপনি আপনার পায়ে একটি টমেটোর মিশ্রণও লাগাতে পারেন। আপনি পুরু মিশ্রণটি লাগাতে না চাইলে টমেটো কেটে সেটি সরাসরি পায়ে ঘষতে পারেন। এটি ব্লিচের কাজ করে এবং রোদে পোড়া দাগ সারাতে সহায়তা করে।


মেঘ