সোমবার, ২৬ মে, ২০১৪

টিপস

জানেন কি, সবজি ও ফলের রং দেখেই বলে দেয়া যায় ওতে কোন কোন খাদ্যগুণ রয়েছে? যেমন, হলুদ ও কমলা রঙের সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। আবার সবুজ রঙের ফলে ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়ামের পরিমাণ রয়েছে। খাবারের রং খাদ্যগ্রহণ করার আগ্রহও বাড়িয়ে তোলে। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় রান্না করতে গেলে সবজির আসল রং থাকে না। এটা মশলার কারণে হতে পারে, আবার অতিরিক্ত তাপের কারণেও হতে পারে। তবে খুব সহজেই আপনি খাবারের রং ধরে রাখতে পারবেন। কী করে? জেনে নিন।


সবজি কাটার আগেই ধুয়ে নিন। চেষ্টা করুন মাঝারি তাপে রান্না করতে। আর রান্নার সময় সবজিতে কয়েক ফোঁটা ভিনেগার দিন, এতে খাবারের রং বজায় থাকবে।


মেঘ

রবিবার, ২৫ মে, ২০১৪

চুলের যত্নে বাড়িতে বসেই তৈরি করুন ৪ প্যাক

গরমে চুল নিয়ে দুশ্চিন্তা করে না এমন মানুষ খুব কমই আছে। কারণ এ সময় প্রচন্ড গরমে চুল হয়ে যায় রুক্ষ। চুলের আগা ফেটে যাওয়াসহ চুল পড়ার হারও বেড়ে যায়।এছাড়াও দেখা দেয় নানা সমস্যা। কর্মব্যস্ত জীবনে চুলের যত্নে তাই নিয়মিত পার্লারে যাওয়াও সম্ভব হয় না। তবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। কারণ নিয়ম জানা থাকলে বাড়িতে বসেও চুলের যত্ন নেওয়া সম্ভব। এতে করে সময়ের পাশাপাশি টাকাও বাঁচবে।

ময়েশ্চারাইজিং: চুলের যত্নে ময়েশ্চারাইজিং বেশ উপকারি। আর এটা করার জন্য তিন টেবিল চামচ নারিকেলের দুধের সাথে রেড়ীর তেল মেশান। তারপর এটি মাথায় ভালভাবে লাগিয়ে নিন। এক ঘন্টা পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল হবে ঝরঝরে ও সুন্দর।
ডি-ফিজিং: সামান্য কয়েকটি গোলাপ পাতা ও ফুল একসাথে গুঁড়া করে নিয়ে এর সাথে অলিভ অয়েল বা নারিকেলের তেল মিশিয়ে নিন।  এরপর চুলে তা সুন্দরভাবে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তাহলে চুল একদিকে যেমন সুন্দর হয়ে উঠবে, তেমনি অন্যদিকে চুল পড়াও কমবে। কারণ গোলাপ চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।
হেয়ার লস: দুই টেবিল চামচ রেড়ীর তেল, নারিকেলের দুধ, বাদামের দুধ ও মেথির বীজ একসাথে পেস্ট করে নিন। তারপর এ পেস্টটি মাথায় ম্যাসেজ করে লাগান। কিছুক্ষণ পর পরিষ্কার পানি দিয়ে তা ধুয়ে ফেলুন। তাতে চুল পড়ার হার অনেকটাই কমে যাবে। সেই সাথে চুল হয়ে উঠবে স্বাস্থ্যজ্জ্বল ও সুন্দর।
সফটনেস: গরমে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই চুল হয়ে উঠে রুক্ষ। তাই এ সময় চুলের কোমলতা ফিরিয়ে আনার জন্য কলা ও বাদামের পেস্ট বানিয়ে নিন। এক্ষত্রে আপনি কেবল একটি কলা পেস্ট করে এর সাথে বাদামের তেল মিশিয়ে নিন। আর মিশ্রিত পেষ্টটি চুলে ম্যাসেজ করে লাগান। প্রায় ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন আপনার চুলের রুক্ষ ভাবটা এখন আর নেই।
মেঘ

সৌন্দর্য চর্চায় রূপে-গুণে অনন্যা গোলাপের পাপড়ি


ফুলের রাজ্যে গোলাপের কদরটা সবসময়েই বেশি। প্রেম নিবেদন কিংবা ভালোবাসা প্রকাশে গোলাপ না থাকলেই নয়। নারীর সাজেও গোলাপের ব্যবহার যুগ যুগ ধরে প্রচলিত। চুলের এক পাশে একটি গোলাপ গুঁজে দিলে পুরো সাজেই যেন আসে পরিপূর্নতা। ঘরের কোনে কয়েকটি গোলাপ রেখে দিলেও এর মিষ্টি সুবাসে মন ভালো থাকে সারাদিন। আপনি কি জানেন যে রূপচর্চাতেও গোলাপের পাপড়ির আছে অসাধারণ কিছু ব্যবহার? জেনে নিন সৌন্দর্য চর্চায় গোলাপের পাপড়ির ৫টি ব্যবহার সম্পর্কে।

টোনার

টোনার হিসেবে গোলাপের পাপড়ির জুড়ি নেই। কিছু গোলাপের পাপড়ি পানিতে সেদ্ধ করে পানিটা ছেঁকে নিন। এবার পানিটাকে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে রাখুন। এরপর ঠান্ডা সেই পানির মধ্যে তুলা ভিজিয়ে সেটা দিয়ে পুরো মুখ মুছে নিন। গোলাপের পাপড়ির এই টোনার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

ত্বক মসৃণ করে

নিয়মিত গোলাপের পানি ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠে উজ্জ্বল ও মসৃণ। গোলাপের পাপড়িতে আছে প্রাকৃতিক তেল যা ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। ফলে ত্বকের শুষ্ক ভাব দূর হয়ে যায় এবং ত্বক হয়ে ওঠে মসৃণ ও সুন্দর।

ব্রণের উপদ্রব কমায়

অনেকেরই ত্বকে ব্রণের উপদ্রব আছে। গোলাপের পাপড়িতে আছে অ্যান্টি ব্যকটেরিয়াল উপাদান যা ত্বকে ব্রণের উপদ্রব কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও গোলাপের পাপড়ির রস ব্রণের লালচে ভাব কমাতে সহায়তা করে এবং ব্রণের আকৃতি ছোট করে দেয় বেশ দ্রুত।

রোদে পোড়া ভাব কমায়

প্রচন্ড রোদে বাইরে বের হলে ত্বকের রং অনেকটাই কালচে হয়ে যায়। নিয়মিত গোলাপের পানি ব্যবহার করলে ত্বকের রোদে পোড়া দাগ অনেকটাই কমে যায়। ফলে ত্বক থাকে উজ্জ্বল ও স্নিগ্ধ। এছাড়াও গোলাপের পাপড়িতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা সূর্যের আলো থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

চোখের নিচের কালচে ভাব কমায়

গোলাপের পাপড়ির রস চোখের নিচের কালো ভাব কমিয়ে দেয়। কিছু গোলাপের পাপড়ি বেঁটে চোখের নিচের ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। অথবা গোলাপের পানিতে তুলা ভিজিয়ে চোখের উপর দিয়ে রাখুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে চোখের কালি দূর হয়ে যাবে পুরোপুরি। সেই সঙ্গে চোখের ক্লান্তিও দূর হবে।

মেঘ

ত্বকের কোমলতা ধরে রাখুন শশা ও তরমুজের মাস্কে



বাড়িতে বসে একসঙ্গে ত্বকে পরিষ্কার করতে, পোড়া ভাব দূর করতে, ক্লান্তি কাটাতে ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ব্যবহার করুন এই মাস্ক।

কী কী লাগবে-

শশার রস-২ টেবিল চামচ
তরমুজের রস-২ টেবিল চামচ
গুঁড়ো দুধ-১ চা চামচ
দই-১ চা চামচ

কীভাবে লাগাবেন-

সবকিছু একসঙ্গে মিশিয়ে পুরো মুখে ভাল করে লাগান। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা জলে ভাল করে মুখ ধুয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। তরমুজ ত্বক পরিষ্কার করে। পোড়া ভাব তুলে টোনারের কাজও করে। ত্বকের কাল ভাব কাটায় শশাও। ত্বকরে নরম ও টানটান রাখে দই। ফর্সাভাব ধরে রেখে ত্বককে উজ্জ্বল করে গুঁড়ো দুধ।
মেঘ

নিখুঁত ত্বকের জন্য রাতের ২টি ফেসিয়াল মাস্ক


কাঠ ফাটা রোদ আর একটু পরই বৃষ্টি। দুয়ে মিলে আবহাওয়া হয়ে উঠেছে অস্বস্তিকর। না ভালো করে গরম যাচ্ছে না একটু ঠাণ্ডা হচ্ছে পরিবেশ। এই সময়টায় ত্বক আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে চলতে যেয়ে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে। ত্বকের নানা সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। ব্রণ, ত্বকের রুক্ষতা, কালো ছোপ দাগ ইত্যাদির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে সকলেই সমাধান খুঁজছেন।
অনেকে ভরসা করেন বাজারের ত্বকের প্রোডাক্টের ওপর। কিন্তু কেমিক্যালে ভরপুর এই প্রোডাক্টগুলোর চাইতে ভরসা রাখুন প্রাকৃতিক জিনিসের ওপর। ঝলমলে উজ্জ্বল এবং সমস্যাবিহীন ত্বক পেতে সারাদিন শেষে রাতে একটু সময় বের করে নিন ত্বকের যত্ন। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল রাতে ব্যবহারের ২ টি ফেসিয়াল মাস্ক যা দূর করবে ত্বকের সমস্যা।

চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েলের ফেসিয়াল স্ক্রাব

সব ধরনের ফেসিয়াল স্ক্রাবের মধ্যে এই স্ক্রাবটি সবথেকে ভালো। কারন এই স্ক্রাবটির উপাদান অনেক সহজলভ্য এবং প্রাকৃতিক বলে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এবং এর কার্যকারিতা অনেক বেশি। অলিভ অয়েল ত্বককে কোমল করে ও চিনি ত্বকের উপরিভাগের মরা কোষ দূর করে।
পদ্ধতিঃ
এই মাস্কটি তৈরি করতে আপনার লাগবে চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল। ২ চা চামচ চিনি, ১ চা চামচ লেবুর রস ও ২ চা চামচ অলিভ অয়েল নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি হাতের তালুতে নিয়ে মুখের ত্বকে হালকাভাবে ঘষে লাগান। মুখে এই মিশ্রণটি ১০ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে ২/৩ বার করুন। ত্বকের উজ্জলতার পরিবর্তন আপনি নিজেই দেখতে পাবেন।

কলা এবং দইয়ের ফেসিয়াল মাস্ক

কলা খেতে যতটা সুস্বাদু ততোটাই উপকারি। কলা প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের কোমলতার জন্য একটি অসাধারন উপাদান। অন্যদিকে দই ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধিতে সব সময়ের জন্যই উপকারি।
পদ্ধতিঃ
এই মাস্কটি তৈরি করতে লাগবে ১ টি কলা, ১ চা চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ দুধ ও ২ চা চামচ টকদই। প্রথমে একটি বাটিতে কলা নিয়ে চামচের মাধ্যমে ম্যাশ করুন। এরপর এতে ২ চা চামচ দই নিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর এতে মধু ও দুধ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি আলতো ঘষে ত্বকে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট এই মিশ্রণটি ত্বকে থাকতে দিন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে একটি পাতলা তোয়ালে দিয়ে পানি মুছে ফেলুন। এই মাস্কটি ত্বকের উজ্জলতা ও কোমলতা বৃদ্ধির সাথে সাথে ত্বকে একটি মিষ্টি সুগন্ধ তৈরি করে।

মেঘ

শুক্রবার, ২৩ মে, ২০১৪

সৌন্দর্যচর্চায় ৫ ধরনের ভুল আমরা প্রতিদিন করে থাকি

 রূপ সচেতনতায় প্রতিদিন আমরা ব্যবহারিক অনেক কাজই করে থাকি। সকাল থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত রূপের সৌন্দর্য রক্ষার্থে অনেক কাজ করে থাকি। মূলত শরীরকে সুন্দর এবং পরিষ্কার রাখার জন্যই এমন অনেক কাজ করে থাকি। কিন্তু আমরা হয়তো না জেনেই এমন অনেক কাজ করছি যেগুলো আমাদের শরীরের ক্ষতি করছে। নিত্যদিনের ব্যস্ততার ভিড়ে সেদিকে আমাদের একেবারেই খেয়াল নেই। ফলে খুব কম পরিমাণে হলেও ক্ষতি করছে শরীরের।

১. পুরো মাথায় কন্ডিশনারের ব্যবহার :
চুলের রুক্ষতা দূর করতে এবং চুলের বিভিন্ন পুষ্টি যোগাতে আমরা অনেকেই গোসলের সময়ে চুল শ্যাম্পু করার পরে কন্ডিশনার ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু লক্ষ্য করার বিষয় এই যে অনেকেই আছেন যারা শুধু চুলে কন্ডিশনার ব্যবহারের পরিবর্তে পুরো মাথাতেই ব্যবহার করে থাকেন। মনে রাখার বিষয়টি হল কন্ডিশনার কোনো মতেই সমস্ত মাথায় ব্যবহার করা ঠিক নয়। এটি শুধুমাত্র চুলে ব্যবহার উপযোগী। এটি মাথার ত্বকে ঘষলে ক্ষতির সম্ভাবনা থেকে যায়।

২. বডিস্প্রে ব্যবহার করা :
বডিস্প্রে মূলত কাপড়ে স্প্রে করার জন্য। কিন্তু প্রায় অনেকেই এই ভুলটি করে থাকেন যে তারা কাপড়ে স্প্রে না করে শরীরের উপরে স্প্রে করেন। ব্যবহৃত বডি স্প্রে বা পারফিউমের মান কেমন আপনি জানেন না। তাই স্কিন ক্যান্সারসহ ত্বকের নানান রকম রোগ হতে রেহাই পেতে তোকে স্প্রে ব্যবহার করবেন না।

৩. গলার ত্বকের খেয়াল না করা :
আমরা মুখের ত্বকের বেশ খেয়াল করে থাকি। মুখের ত্বককে ভালো রাখতে বিভিন্ন রং ফর্সাকারী ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করে থাকি, কিন্তু এগুলো গলায় ব্যবহার করিনা। এতে করে মুখ বেশ উজ্জ্বল দেখালেও গলা তুলনামূলকভাবে অনেক কালো দেখায়। খেয়াল রাখতে হবে যে মুখ এবং গলা আলাদা কিছু না। মুখের পরিচর্যায় যে ধরনের উপকরণ ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেই একই উপকরণ গলার ত্বকের পরিচর্যায়েও ব্যবহার করা উচিৎ।

৪. চোখের চারপাশে মশ্চারাইজার ব্যবহার করা :
মশ্চারাইজার মূলত মুখের ত্বকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে নমনীয় এবং শুষ্ক করার জন্য। কিন্তু যদি এই মশ্চারাইজার চোখের উপরে বা চারপাশে ব্যবহার করা হয় তাহলে চোখে ফোলাভাবসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া চোখে ক্লান্তির ছাপ এবং ঘুম ঘুম ভাবের দেখা দিতে পারে। এ কারণে চোখের চারপাশে মশ্চারাইজার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা উচিৎ।

৫. অনেক সময় ধরে গোসল করা :
এই গরমে অনেক সময় ধরে গোসল করলে বেশ ভালো লাগে। মনে হয় যে যতক্ষণ গোসলখানায় থাকা যায় ততক্ষণই আরামে ও শান্তিতে থাকা যায়। কিন্তু অনেকক্ষণ ধরে গোসল করা শরীরের জন্য ভালো না। কেননা অনেকক্ষণ গোসলে শরীরের তৈলাক্ততা একেবারে কমে যায় অর্থ ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে পড়ে। সাবান এবং শ্যাম্পু ব্যবহারে এর শুষ্কতা আরও অনেক বেড়ে যায়।


মেঘ

প্রিয় চুলগুলো খুব দ্রুত ঘন ও কালো করার ৪টি ঘরোয়া উপায়!

 ঘন কালো সুন্দর চুল সকলেরই বেশ পছন্দের। সেই প্রাচীনকাল থেকে মেয়েদের সৌন্দর্যের বর্ণনায় চুলের উপমা দেয়া হয়ে থাকে। ঘন কালো লম্বা চুলের উপমা ছাড়া নারীর সৌন্দর্যের বর্ণনা পরিপূর্ণতা পায় না। মাঝে বেশ কিছুদিন ছোট চুলের ফ্যাশন ছিল। কিন্তু আবার নতুন করে ফিরে এসেছে লম্বা চুলের ফ্যাশন।

কিন্তু সমস্যা হলো আবহাওয়া এবং আমাদের যত্নআত্তির ত্রুটির কারণে চুলের সৌন্দর্য ধীরে ধীরে কমে আসছে। সকলেরই এখন চুল ঝরে পড়া কিংবা টাকের সমস্যা। এর পাশাপাশি কমে গিয়েছে চুল বাড়ার প্রক্রিয়াটিও। সহজে চুল লম্বাই হতে চায় না। এই সমস্যা সমাধান করবে ঘরোয়া কিছু প্রাকৃতিক উপায়। খুব সহজে আপনিও এই উপায়গুলো খাটিয়ে চুলের বেড়ে ওঠাকে নিশ্চিত করতে পারেন। নতুন চুল গজিয়ে চুল হবে ঘন, কালো, লম্বা।


পেঁয়াজের ব্যবহার
সেই প্রাচীন কাল থেকে চুল বৃদ্ধির কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে পেঁয়াজ। পেঁয়াজের রসে রয়েছে সালফার যা চুলের কোলাজেন টিস্যুর বৃদ্ধি উন্নত করে এবং চুল বাড়তে সাহায্য করে দ্রুত।

লাল পেঁয়াজ ছোট ছোট করে কেটে নিয়ে একটি পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে রেখে চিপে রস বের করে নিন। এই পেঁয়াজের রস পুরো মাথার ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর মৃদু কোনো সাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করুন এই পেঁয়াজের রস।

ডিমের হেয়ার মাস্ক
ডিমের উচ্চ মাত্রার প্রোটিন চুলের ফলিকলে পুষ্টি প্রদান করে এবং চুল দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। এই মাস্কের সালফার, জিংক, আয়রন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস এবং আয়োডিন চুল দ্রুত বৃদ্ধি করে।

১ টি ডিমের সাদা অংশ নিন। এতে ১ টেবিল চামচ মধু এবং ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। চুলে ভালো করে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।

আলুর রসের ব্যবহার
চুলের বৃদ্ধির কাজে আলুর রসের ব্যবহার অনেকেই জানেন না। কিন্তু আলুর ভিটামিন এ, বই এবং সি চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে বেশ সহায়ক।

আলু একেবারে ঝুড়ি করে নিয়ে খুব দ্রুত এর রস বের করে নিন। এই রস সরাসরি মাথার ত্বকে ভালো করে ঘষে লাগান। ১৫ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন।


মেহেদীর হেয়ার মাস্ক
মেহেদী চুলের জন্য অনেক বেশি ভালো একটি উপাদান। চুল ঘন কালো ও লম্বা করতে মেহেদীপাতার তুলনা নেই।

১ কাপ পরিমান শুকনো গুড়ো মেহেদী অর্ধেক কাপ টকদই দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মেহেদীর মিশ্রণ চুলের আগা থেকে গোঁড়া এবং মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত চুলে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহার করবেন।


মেঘ