শুক্রবার, ২৩ মে, ২০১৪

জেনে নিন রোদে পোড়া দাগ থেকে চটজলদি মুক্তির ৫ টি উপায়


 জৈষ্ঠ্যের তীব্র দাবদাহ শুরু হয়েছে। বৃষ্টির দেখা নেই বললেই চলে। কিন্তু তাই বলে তো ঘরে বসে থাকলে চলে না। নানা কারণে প্রতিদিন বাসার বাইরে বেরুতেই হয়। আর সেকারনে মুখে ছোপ ছোপ কালো দাগ পড়ে যায় সহজেই। আর ত্বকের রঙও হয়ে আসে কালচে। এগুলো রোদের তীব্র অতিবেগুনী রশ্মির কারণে হয়ে থাকে। এর যত্ন যদি আপনি এখনই না নিয়ে থাকেন তবে এগুলো আপনার ত্বকে স্থায়ীভাবে বসে যেতে পারে।

তাই খুব সহজ কিছু ঘরোয়া উপায় জেনে নিন রোদে পোড়া কালো দাগ থেকে মুক্তি পেতেঃ

১। লেবুর রসঃ
পুরো মুখে লেবুর রস ও সমপরিমাণ মধু মেখে ৫-১০ মিনিট রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন একবার এ কাজটি করার চেষ্টা করুন। লেবুর প্রাক্রিতিক ব্লিচিং উপাদান আপনার ত্বককে আগের উজ্জ্বলতায় ফিরিয়ে আনবে আর মধু করবে ময়েশ্চারাইজারের কাজ। সুতরাং রোদে পোড়া দাগ মিলিয়ে গিয়ে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে আগের মতই উজ্জ্বল বা তার চেয়েও সুন্দর।

২। টকদইঃ
রোদে পোড়া দাগ থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পাবার জন্যে প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাবার আগে সারা মুখে টকদই লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন। এর কার্যকরী ব্লিচিং উপাদান প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার রোদে পোড়া দাগ সারিয়ে তুলবে। কিছুদিনের মধ্যেই আপনি আপনার ত্বকের লক্ষ্যণীয় পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

৩। এলোভেরাঃ
এলোভারা আপনার ত্বককে দেয় ঠান্ডা অনুভূতি আর সেই সাথে সতেজ করে তুলতেও এর জুড়ি নেই। প্রতিদিন যদি স্রেফ ১০ মিনিটের জন্যে আপনার ঘাড় গলায় ও মুখে এলোভেরার রস লাগিয়ে রাখতেপারেন এটা কেবল রোদে পোড়া কালো কালো ছোপ থেকেই আপনাকে মুক্তি দেবে না বরং ত্বকে বাড়তি আর্দ্রতা যুগিয়ে বলিরেখা রোধ করে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করবে বহুদিন।

৪। টমেটোঃ
রোদে পোড়া দাগ থেকে সব চেয়ে ভালো উপায় হল টমেটো। টমেটো ভালোভাবে পেস্ট করে ফ্রিজে রেখে দিন। ঠান্ডা টমেটোর পেস্ট ১৫-২০ মিনিট ত্বকে লাগিয়ে রাখুন, তারপর ভালোভাবে ধুয়ে নিন। ব্যস, খুব জলদিই মুক্তি পাবেন রোদে পোড়া দাগ সহ পুরোনো ব্রনের দাগ থেকেও।

৫। আলুঃ
আলু রূপচর্চায় এবং ত্বকের দাগ দূর করতে বেশ কার্যকর। যদিও অন্যান্য উপাদানের চেয়ে এটি কাহ্নাইকটা বেশী সময় নেয়। আলু ভালোভেবে ব্লেন্ড করে রস বের করে নিন। তুলোর সাহায্যে পুরো মুখে লাগিয়ে নিন। প্রতিদিন ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিন পর দাগ কমে আসবে।

৮। কাঁচা পেঁপেঃ
কাচা পেঁপের পেস্ট বানিয়ে নিন। মুখে লাগিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। এটি আপনার ত্বকের নানা দাগ দূর করতে ভীষন কার্যকরী।

সেই সাথে এটি প্রতিরোধে গড়ে তুলুন কয়েকটি জরুরী অভ্যাসঃ
প্রতিদিন ঘরের বাইরে বেরুবার আগে কমপক্ষে এসপিএফ-২৪ যুক্ত সানস্ক্রীন ব্যবহার করুন।
২ ঘন্টা পর পর মুখ ধুয়ে নতুন করে সানস্ক্রীন লাগান।
সবসময় রোদে ছাতা ও সানগ্লাস ব্যবহার করুন
ঘুমাবার আগে ময়েশারাইজার লাগিয়ে ঘুমান

রোদে পোড়া ত্বককে অবহেলা করবেন না বা ভাববেন না নিজে থেকেই সেরে যাবে এটি। সহজেই ত্বকের কালো ছোপ তুলে ফেলুন আর থাকুন সুন্দর, সবসময়ে।


মেঘ

খুব সহজ ১০ টি উপায়ে নির্মূল করুন শরীরের ফাটা দাগ বা স্ট্রেচ মার্ক

 ফাটা চামড়া বা স্ট্রেচ মার্কের সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। আমাদের শরীরের ত্বকে বিভিন্ন অংশে এই ফাটা দাগগুলো দেখা যায়। মূলত এই সমস্যা বাড়তি ওজনের জন্য হয়। শরীরের আয়তন যখন বেড়ে যায়, ত্বক তখন স্ট্রেচ করে বাড়তি আয়তনকে ঢাকতে। ফলে তৈরি হয় এই দাগ। আবার গর্ভ পরবর্তী সময়ে নারীদের তলপেটে চামড়ার টানজনিত কারণে এই ধরনের দাগ হয়ে থাকে। এটি ত্বকের উপরে দৃশ্যমানলাইনের মত দেখা দেয়। শরীরের বিভিন্ন অংশে যেমন- পেটের প্রাচীর, কোমর, হাত, ঘাড়, হাটুর পেছনে, উরু এমনকি বুকেও দেখা যায়। স্থুলতা তো অবশ্যই, সাথে গর্ভ ধারণের মত শারীরিক ধকল এবং শরীরে পানি ঘাটতির কারণেও হতে পারে এ ধরনের সমস্যা।

ত্বকের এই ফাটা দাগ দূরীকরণ যেন এক অসম্ভব কাজ। কিন্তু না, এখন আর অসম্ভব নয়। বরং খুব সম্ভব। কীভাবে জানতে চান?

১. গ্লাইকলিক অ্যাসিডযুক্ত বিভিন্ন বিউটি পণ্য যেমন টোনার, ক্লিনজার ও ময়শ্চারাইজার ইত্যাদি ব্যবহার করুন। এই অ্যাসিড ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

২. ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দিনে ৩ বার ফাটা দাগের উপর ম্যাসেজ করুন। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম না পেলে সাপ্লিমেন্টও নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টটি দিনে ৩ বার খেতে হবে।

৩. প্রতিদিন ৩ বার ফাটা স্থানের উপর ডিমের সাদা অংশ ৫-১০ মিনিটের জন্য ম্যাসেজ করুন। যতদিন দাগটি নির্মূল না হয় ততদিন এই পদ্ধতিটি শরীরে এ্যাপ্লাই করে যাবেন।

৪. শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে লেবুর একটি টুকরা নিয়ে দাগের উপর ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসেজ করুন। এতে বেশ উপকার পাওয়া যাবে।

৫. ফাটা দাগ নির্মূলে বিভিন্ন ধরণের তেল মিশিয়ে দাগের উপর প্রতিদিন ১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। উপকার পাওয়া যাবে।

৬. চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে তা প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন।

৭. এর জন্য আরেকটি প্রসেজ এ্যাপ্লাই করতে পারেন। এটি হল একটি আলু নিয়ে তা মোটা করে ২ টুকরা করে ফাটা দাগের উপওে কিছুক্ষণ ম্যাসেজ করুন। এর রস ভালো মত লাগলে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন স্থানটি।

৮. ঘৃতকুমারির পাতা নিয়ে এর ভেতর থেকে জেলী সদৃশ অংশটি বের করে দাগের উপরে লাগিয়ে ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৯. এপ্রিকট ফলের বিচি ফেলে দিয়ে এর পেস্ট বানিয়ে দাগের উপর ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন প্রতিদিন ২ বার।

১০. প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন মাছ, ডিমের সাদা অংশ, দই, বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ, তরমুজের বীজ খাবেন। এগুলো আপনার ত্বককে জলযোয়িত রাখবে। শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়তা করবে।



মেঘ

বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০১৪

চোখের ফোলা ভাব দূর করার কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়



সুন্দর এক জোড়া চোখ খুব সহজেই নজর কেড়ে নিতে পারে সবার। টানা টানা চোখের চাহনি যে কাউকে কাবু করে ফেলতে পারে নিমিষেই। আর তাই চোখ জোড়াকে সুন্দর করে তোলার জন্য নানান প্রসাধনীর ব্যবহার করেন নারীরা। কিন্তু সেই চোখ জোড়াই যদি হয়ে ওঠে ক্লান্ত ও ফোলা ফোলা? তাহলে পুরো চেহারাতেই ক্লান্তির ছাপ পরবে। রাতে ঘুম কম হওয়ার কারণে, কান্নাকাটি করার কারণে অথবা দূর্বলতার কারণে চোখে ফোলা ভাব চলে আসে। ফলে চেহারার উজ্জ্বলতা কম দেখায় এবং চেহারায় ক্লান্তির ছাপ পড়ে।
চোখের ফোলা ভাব দূর করার আছে খুব সহজ উপায়। ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করেই চোখের ফোলা ভাব দূর করা সম্ভব। জেনে নিন চোখের ফোলা ভাব ও ক্লান্তি দূর করার সহজ কিছু উপায়।

১) চোখের ফোলা ভাব দূর করার জন্য চামচ ব্যবহার করতে পারেন। দুটি টেবিল চামচ ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে ফেলুন। এবার চামচের নিচের অংশ চোখের নিচের ফোলা স্থানে রেখে চোখ বন্ধ করে রাখুন। চামচ গুলো গরম হয়ে গেলে সরিয়ে ফেলে আবার ঠান্ডা চামচ দিন। এভাবে ১৫ মিনিট ঠান্ডা চামচ রাখলে চোখের ক্লান্তি কমে যাবে এবং ফোলা ভাব কমবে।

২) ব্যবহৃত টি ব্যাগও চোখের ফোলা ভাব কমাতে সহায়তা করে। টি ব্যাগ ব্যবহারের পর সেটা কিছুক্ষন ফ্রিজে রেখে দিন। এরপর ঠান্ডা হলে সেটা চোখের উপর রেখে চোখ বন্ধ করে রাখুন ১৫ মিনিট। চোখের ফোলা ভাব অনেকটাই কমে যাবে। সেই সঙ্গে নিয়মিত ব্যবহারে চোখের নিচের কালিও কমে যাবে ধীরে ধীরে।

৩) চোখের নিচের ফোলা ভাব দূর করতে ডিমের সাদা অংশও বেশ কার্যকরী। একটি ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে নিন। এরপর সেটাকে খুব ভালো করে ফেটিয়ে ফেনা তুলে ফেলুন। এরপর একটি তুলা অথবা ব্রাশের সাহায্যে সেটাকে চোখের নিচের ত্বকে ধীরে ধীরে আলতো করে লাগিয়ে নিন। এরপর চোখ বন্ধ করে ২০ মিনিট বিশ্রাম নিন। ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন। তাহলে চোখের ফোলা ভাব ও ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে অনেকটাই।

৪) প্রচুর পানি পান করুন। চোখের ফোলা ভাব দূর করতে পানি পানের বিকল্প নেই। চোখের নিচের অংশ বেশি ফুলে থাকলে কিছুক্ষন পরপর পানি খান। এভাবে সারাদিন পানি পান করলে চোখের ক্লান্তি কেটে যাবে এবং চোখের নিচের ফোলা ভাব কমে যাবে।

৫) চোখের উপর ঠাণ্ডা শশার টুকরা দিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন। চোখের ফোলা ভাব অনেকটাই কমে যাবে।

মেঘ

ত্বক উজ্জল ও ফর্সা করার এবং মুখের কালো দাগ দূর করার কিছু টিপস…

“ত্বক ফর্সা করতে ফেয়ার নেস cream কতই তো ইউস করলাম। কই কোনো তো কাজ হলো না।” এমন আফসোস শোনা যাই অনেকের মুখে। কিন্তু আমরা যদি ঘরে একটু সময় দিয়ে হারবাল উপায়ে ত্বকের সামান্য একটু যত্ন নি তাহলেই কিন্তু আমাদের ত্বক অনেক খানি সুন্দর হয়ে উঠবে।

আজ আপনাদের জানাব সহজ ও ঘরওয়া পদ্ধতি তে ত্বক উজ্জল ও ফর্সা করার কিছু টিপস:

✏ প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য মসুর ডালের বেসন, মধু ও সামান্য তিলের তেলের মিশ্রণ বেশ উপযোগী। রোদে পোড়া ভাবও দূর হবে।

✏ মধু, কাঁচা হলুদ, দুধ ও তিলের তেল চুলায় অল্প আঁচে নাড়তে থাকুন। আঠালো হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে দিন। বাইরে থেকে ফিরে প্রতিদিন এই প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

✏ বেসন-দই, লেবুর প্যাক: ২ চামচ আটা, মসুরির ডাল বাটা অথবা বেসন নিয়ে তার মধ্যে লেবুর রস মেশান৷ এবার ওর মধ্যে দই মিশিয়ে প্যাকটাকে গাঢ় করে নিন৷ মুখে, ঘাড়ে ভালো করে ঐ প্যাকটা লাগান৷ ২০ মিনিট রাখার পরে মুখটা ধুয়ে ফেলুন৷ এতে ত্বকের চমক বাড়বে৷

✏ ত্বকের পোড়াভাব দূর করতে বাইরে থেকে ফিরে মুখে, গলায় ও হাতে টমেটোর রস লাগান। শুকিয়ে গেলে আরো একবার লাগান। ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে রোদে পোড়া দাগ থাকবে না।

✏ পাতিলেবুর রস, নিমপাতার রস, মুলতানি মাটি মিশিয়ে পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন। আধঘণ্টা পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

✏ কাঁচা হলুদের রস, মুলতানি মাটি মিশিয়ে মুখে লাগান। প্যাক শুকিয়ে এলে গোলাপজল দিয়ে মুছে নিন।

✏ দই এবং ময়দা মিশিয়ে মাখলেও ত্বকের কালো ছোপ তুলতে সাহায্য করে কলা পেস্ট করে মধু মিশিয়েও ত্বকে লাগাতে পারেন। ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।


মুখের কালো দাগ দূর করার কিছু টিপস:

✏ মুখের কালো দাগ দূর করতে আপনি মধু , লেবু, গোলাপ ফুলের পাতা অনেক কার্যকর। এক সাপ্তাহের মাঝেই আপনি তার ফলাফল পাবেন। এই উপাদান গুলি আপনি পেস্ট করে এক সাপ্তাহ ফেইসে লাগাবেন দেখবেন অনেক ভাল লাগবে।

✏ একটি ডিমের কুসুমের সাথে ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল আর ৩ ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। তারপর মুখে লাগিয়ে ৫-১০ মিনিট অপেক্ষা করে প্রথমে হালকা গরম পানি তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

✏ প্রথমে শুকনো হলুদের গুড়ার সঙ্গেদেশি ঘি মিশান।তারপরে মিশ্রিত গুড়া আঙ্গুলের ডগা দিয়ে খুঁত বা দাগের ওপর আলতো ভাবে মাখুন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এভাবে পরিপূর্ণভাবে দাগ দূর করা সম্ভব।

✏ দুভাগ পানি ও এক ভাগ আগুনে পোড়া সোডা মিশিয়ে ক্রিম তৈরি করুন। মিশ্রিত সোডা খুঁত বা দাগযুক্ত স্থানে এক মিনিট পর্যন্ত লাগিয়ে রাখুন। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তবে জোরে জোরে ক্ষত স্থানে কোন ক্রিম বা মালিশ ব্যবহার অনুচিত। এ পদ্ধতি ক্ষত টিস্যুকে ধীরে ধীরে মুছে ফেলে। আর মনে রাখবেন প্রতিদিন প্রচুর পরিমান পানি ও ফল খাবেন।





মেঘ

টিপস


ব্যস্ততার মাঝেও ত্বকের সঠিক যত্ন নেয়া ত্বকের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সঠিক ত্বকের যত্ন ত্বককে রুক্ষ এবং মলিন হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে থাকে। প্রতিদিন ঠিক মতো ত্বক পরিষ্কার করা এবং সপ্তাহে অন্তত ১ দিন রূপচর্চায় ত্বক থাকবে চিরতরুন।

প্রতিদিন মৃদু কোনো স্ক্রাব দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করতে পারেন। এবং সপ্তাহে ১ দিন ১ টি কলা, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ চা চামচ লেবুর রস এবং ২ টেবিল চামচ দুধ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে ত্বকে মাত্র ২০ মিনিট রেখে দেখুন। ত্বকের নানা সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়ার পাশাপাশি ত্বক থাকবে উজ্জ্বল।

মেঘ

বুধবার, ২১ মে, ২০১৪

এই গরমে ত্বকের জন্য উপকারী যত তেল

গ্রীষ্মকালে তেল ব্যবহার করলে ত্বক আরও অনেক বেশি তৈলাক্ত হয়ে পড়ে। এ কারণে অনেকেই তেল ব্যবহার থেকে দূরে থাকেন এই গ্রীষ্মে। কিন্তু সত্যি বলতে কি, একমাত্র তেলই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীনভাবে ত্বকের পুষ্টি যোগাতে সাহায্য করে থাকে। এই গরমে যে ৫ ধরনের তেল তৈলাক্ততার পরিবর্তে ত্বকের পুষ্টি যোগাতে সাহায্য করবে, আপনার ত্বককে রাখবে সুন্দর ও লাবণ্যময়। আসুন, জানি সেই তেল ও ব্যবহারবিধি।

১. গোলাপের তেল :
এই গরমে গোলাপ থেকে উৎপাদিত তেল ত্বকের পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করে। এটা ত্বকের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এটি ব্যবহারে ত্বকের মসৃণতা ফিরে আসে, ত্বকে ছিদ্রপথ পরিষ্কার করে ত্বকের কোমলতা ফিরিয়ে আনে। এছাড়া এটি ত্বকে ম্যাসেজ করলে বিভিন্ন কালো দাগ ও রেখা দূর হয়। প্রতিদিন এই গোলাপ তেল গোসলের আগে বা পরে সারা দেহে ম্যাসেজ করতে পারেন। এতে ভালো ফলাফল আসবে।

২. ক্যামোমিল তেল :
এটি সংবেদনশীল ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। এটি ব্যবহারেও ত্বকের মসৃণতা ফিরে আসে কোনো ধরনের তৈলাক্ততা করা ছাড়াই। এটি রাতে শোবার আগে সারা দেহে লাগাতে পারেন। ফলে তৈলাক্ত নয় বলে গরমে আরাম পাবেন। মনেই হবে না যে আপনি কোনো ধরনের তেল ব্যবহার করেছেন।

৩. চায়ের গাছের তেল :
এটি ব্রণযুক্ত ত্বকের জন্য বেশ উপযোগী। চা গাছের তেলে রয়েছে এ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও এ্যান্টিফাংগাল এবং এটি প্রাকৃতিকভাবে এ্যান্টিসেপ্টিকের কাজ করে। ত্বকে যদি কোনো কারণে ব্রণ উঠে থাকে তাহলে এই চায়ের তেল একটি নির্দিষ্ট সময় করে ব্রণযুক্ত ত্বকে মাখবেন। যেমন এটি যদি রাতে মাখতে পারেন তাহলে বেশি ভাল ফলাফল পাবেন। টানা এক সপ্তাহ ব্রণযুক্ত ত্বকে এই তেল ম্যাসেজ করলে নিমেষেই ব্রণ চলে যাবে এবং ফিরিয়ে আনবে উজ্জ্বলতা।

৪. লেমনগ্রাস :
এটি মূলত পোকা তাড়ানোর জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। কিন্তু এই তেল সংবেদনশীল ত্বকের বিভিন্ন জ্বালা কমানোর জন্যও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। লেমনগ্রাস তেল যদি কোনো কাটা, পোড়া, জ্বলে যাওয়া ত্বকে ব্যবহার করেন তাহলে আরামদায়ক ফল লাভ করবেন। ক্ষত জায়গায় ঘা হওয়া থেকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই তেল। এছাড়া জ্বালা পোড়া অনেক কমিয়ে দেয়।

৫. ল্যাভেন্ডার তেল :
গ্রীষ্মকালে ব্যবহার উপযোগী এই লেভেন্ডার তেল সূর্যের তাপ থেকে ত্বককে জ্বলে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচায়। এটি সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করে এর উপরে গরম পানির ফোঁটা ব্যবহার করা যেতে পারে। এরপরে ত্বকের উপরে এটি শুকিয়ে এলে মোটামুটি ১০ মিনিট পরে তা ধুয়ে ফেলতে হয়। এভাবে গরমে এই তেল ব্যবহারে ত্বকের মসৃণতা ফিরে আসে।


মেঘ
বিউটিশিয়ান




সোমবার, ১৯ মে, ২০১৪

ঘাড়ের কালো দাগ থেকে মুক্তি পাবার ঘরোয়া উপায়গুলো

আমরা প্রতিনিয়তই যেভাবে আমাদের মুখের ত্বকের যত্ন নেই, সেভাবে কিন্তু ঘাড়ের অংশটির যত্ন নেয়া হয় না। মুখ ধোয়ার সময় আমরা হয়তো ঘাড়ের অংশটুকুও ভালোভাবে ধুয়ে নিচ্ছি কিন্তু ময়েশ্চারাইজিং এর প্রশ্নে ঘাড় একেবারেই বাদ পড়ে যায়। নানা ফেসপ্যাকের ক্ষেত্রেও আমরা গলাকে প্রাধান্য দিলেও ঘাড়কে মোটেই পাত্তা না দেয়ায় ধীরে ধীরে ঘাড়ে বিচ্ছিরি কালো দাগ, বলিরেখা ও নানা সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু সুন্দর মুখের সাথে বেমানান কালো দাগযুক্ত ঘাড় কিন্তু আপনার ইম্প্রেশনটাকেই নষ্ট করে দিতে পারে।

কিন্তু ঘরে বসেই ঘাড়ের এই বিচ্ছিরি কালো দাগ তুলে ফেলার জন্যে আছে চমৎকার কিছু উপায়।

১। লেবুর রসঃ
লেবুর রসে রয়েছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান। যা আপনার ঘাড়ের কালো দাগ তুলে ফেলে প্রাক্রিতিকভাবেই! সমপরিমাণ লেবুর রস ও গোলাপজল নিন। প্রতিইদিন রাতে ঘুমানোর আগে এটি ঘাড়ে মেখে নিয়ে ঘুমাতে যান। এক মাস এটি করুন। দেখবেন, কালো দাগ মিলিয়ে গেছে!

২। চালের গুঁড়ার স্ক্রাবঃ
ঘাড়ের ত্বকের যত্ন নেয়ার আগে প্রয়োজন মৃত কোষগুলো তুলে ফেলা। এজন্যে চালের গুড়া নিন। দেখবেন, একেবারে মিহি পাইডার যাতে না হয়, আধাভাঙ্গা হলে আরো ভালো। এর সাথে টমেটো পেষ্ট মেশান।ঘাড়ের ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। তারপর হাতের আঙ্গুল পানিতে ভিজিয়ে ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ বার এটি করুন।

৩। ওজন কমানঃ
অনেক সময় অতিরিক্ত ওজনের কারণে ঘাড়ে ভাঁজ পড়ে ঘাম জমে জমে কালো দাগই কেবল না, বলিরেখাও পড়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে সব চেয়ে ভালো উপায় হলো, ওজন কমিয়ে আনা।

ঘাড়ের কালো দাগ প্রতিরোধ করবেন যেভাবেঃ
-প্রতিবার মুখ ধোয়ার সময় ঘাড়ও ভালোভাবে ধুয়ে নিন
- ময়েশ্চারাইজার কেবল মুখে ও গলায়ই নয়, বরং ঘাড়েও লাগান
-মাসে একবার আমন্ড অয়েল গরম করে ঘাড়ে ম্যাসাজ করুন।
-রোদে বেরুবার আগে ঘাড়েও সানস্ক্রীন লাগান
- যেসব মেটালের গয়নায় ঘাড়ে কালো কালো দাগ পড়ে, সেগুলো এড়িয়ে চলুন।
ব্যস, এবার ঘাড়ের বিচ্ছিরি দাগ থেকে সহজেই মুক্তি পান আর এড়িয়ে যান পুনরায় কালো ছোপ পড়া থেকে। সুন্দর থাকুন, সবসময়!

মেঘ
বিউটিশিয়ান