বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০১৪

টিপস


ব্যস্ততার মাঝেও ত্বকের সঠিক যত্ন নেয়া ত্বকের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সঠিক ত্বকের যত্ন ত্বককে রুক্ষ এবং মলিন হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে থাকে। প্রতিদিন ঠিক মতো ত্বক পরিষ্কার করা এবং সপ্তাহে অন্তত ১ দিন রূপচর্চায় ত্বক থাকবে চিরতরুন।

প্রতিদিন মৃদু কোনো স্ক্রাব দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করতে পারেন। এবং সপ্তাহে ১ দিন ১ টি কলা, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ চা চামচ লেবুর রস এবং ২ টেবিল চামচ দুধ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে ত্বকে মাত্র ২০ মিনিট রেখে দেখুন। ত্বকের নানা সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়ার পাশাপাশি ত্বক থাকবে উজ্জ্বল।

মেঘ

বুধবার, ২১ মে, ২০১৪

এই গরমে ত্বকের জন্য উপকারী যত তেল

গ্রীষ্মকালে তেল ব্যবহার করলে ত্বক আরও অনেক বেশি তৈলাক্ত হয়ে পড়ে। এ কারণে অনেকেই তেল ব্যবহার থেকে দূরে থাকেন এই গ্রীষ্মে। কিন্তু সত্যি বলতে কি, একমাত্র তেলই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীনভাবে ত্বকের পুষ্টি যোগাতে সাহায্য করে থাকে। এই গরমে যে ৫ ধরনের তেল তৈলাক্ততার পরিবর্তে ত্বকের পুষ্টি যোগাতে সাহায্য করবে, আপনার ত্বককে রাখবে সুন্দর ও লাবণ্যময়। আসুন, জানি সেই তেল ও ব্যবহারবিধি।

১. গোলাপের তেল :
এই গরমে গোলাপ থেকে উৎপাদিত তেল ত্বকের পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করে। এটা ত্বকের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এটি ব্যবহারে ত্বকের মসৃণতা ফিরে আসে, ত্বকে ছিদ্রপথ পরিষ্কার করে ত্বকের কোমলতা ফিরিয়ে আনে। এছাড়া এটি ত্বকে ম্যাসেজ করলে বিভিন্ন কালো দাগ ও রেখা দূর হয়। প্রতিদিন এই গোলাপ তেল গোসলের আগে বা পরে সারা দেহে ম্যাসেজ করতে পারেন। এতে ভালো ফলাফল আসবে।

২. ক্যামোমিল তেল :
এটি সংবেদনশীল ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। এটি ব্যবহারেও ত্বকের মসৃণতা ফিরে আসে কোনো ধরনের তৈলাক্ততা করা ছাড়াই। এটি রাতে শোবার আগে সারা দেহে লাগাতে পারেন। ফলে তৈলাক্ত নয় বলে গরমে আরাম পাবেন। মনেই হবে না যে আপনি কোনো ধরনের তেল ব্যবহার করেছেন।

৩. চায়ের গাছের তেল :
এটি ব্রণযুক্ত ত্বকের জন্য বেশ উপযোগী। চা গাছের তেলে রয়েছে এ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও এ্যান্টিফাংগাল এবং এটি প্রাকৃতিকভাবে এ্যান্টিসেপ্টিকের কাজ করে। ত্বকে যদি কোনো কারণে ব্রণ উঠে থাকে তাহলে এই চায়ের তেল একটি নির্দিষ্ট সময় করে ব্রণযুক্ত ত্বকে মাখবেন। যেমন এটি যদি রাতে মাখতে পারেন তাহলে বেশি ভাল ফলাফল পাবেন। টানা এক সপ্তাহ ব্রণযুক্ত ত্বকে এই তেল ম্যাসেজ করলে নিমেষেই ব্রণ চলে যাবে এবং ফিরিয়ে আনবে উজ্জ্বলতা।

৪. লেমনগ্রাস :
এটি মূলত পোকা তাড়ানোর জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। কিন্তু এই তেল সংবেদনশীল ত্বকের বিভিন্ন জ্বালা কমানোর জন্যও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। লেমনগ্রাস তেল যদি কোনো কাটা, পোড়া, জ্বলে যাওয়া ত্বকে ব্যবহার করেন তাহলে আরামদায়ক ফল লাভ করবেন। ক্ষত জায়গায় ঘা হওয়া থেকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই তেল। এছাড়া জ্বালা পোড়া অনেক কমিয়ে দেয়।

৫. ল্যাভেন্ডার তেল :
গ্রীষ্মকালে ব্যবহার উপযোগী এই লেভেন্ডার তেল সূর্যের তাপ থেকে ত্বককে জ্বলে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচায়। এটি সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করে এর উপরে গরম পানির ফোঁটা ব্যবহার করা যেতে পারে। এরপরে ত্বকের উপরে এটি শুকিয়ে এলে মোটামুটি ১০ মিনিট পরে তা ধুয়ে ফেলতে হয়। এভাবে গরমে এই তেল ব্যবহারে ত্বকের মসৃণতা ফিরে আসে।


মেঘ
বিউটিশিয়ান




সোমবার, ১৯ মে, ২০১৪

ঘাড়ের কালো দাগ থেকে মুক্তি পাবার ঘরোয়া উপায়গুলো

আমরা প্রতিনিয়তই যেভাবে আমাদের মুখের ত্বকের যত্ন নেই, সেভাবে কিন্তু ঘাড়ের অংশটির যত্ন নেয়া হয় না। মুখ ধোয়ার সময় আমরা হয়তো ঘাড়ের অংশটুকুও ভালোভাবে ধুয়ে নিচ্ছি কিন্তু ময়েশ্চারাইজিং এর প্রশ্নে ঘাড় একেবারেই বাদ পড়ে যায়। নানা ফেসপ্যাকের ক্ষেত্রেও আমরা গলাকে প্রাধান্য দিলেও ঘাড়কে মোটেই পাত্তা না দেয়ায় ধীরে ধীরে ঘাড়ে বিচ্ছিরি কালো দাগ, বলিরেখা ও নানা সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু সুন্দর মুখের সাথে বেমানান কালো দাগযুক্ত ঘাড় কিন্তু আপনার ইম্প্রেশনটাকেই নষ্ট করে দিতে পারে।

কিন্তু ঘরে বসেই ঘাড়ের এই বিচ্ছিরি কালো দাগ তুলে ফেলার জন্যে আছে চমৎকার কিছু উপায়।

১। লেবুর রসঃ
লেবুর রসে রয়েছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান। যা আপনার ঘাড়ের কালো দাগ তুলে ফেলে প্রাক্রিতিকভাবেই! সমপরিমাণ লেবুর রস ও গোলাপজল নিন। প্রতিইদিন রাতে ঘুমানোর আগে এটি ঘাড়ে মেখে নিয়ে ঘুমাতে যান। এক মাস এটি করুন। দেখবেন, কালো দাগ মিলিয়ে গেছে!

২। চালের গুঁড়ার স্ক্রাবঃ
ঘাড়ের ত্বকের যত্ন নেয়ার আগে প্রয়োজন মৃত কোষগুলো তুলে ফেলা। এজন্যে চালের গুড়া নিন। দেখবেন, একেবারে মিহি পাইডার যাতে না হয়, আধাভাঙ্গা হলে আরো ভালো। এর সাথে টমেটো পেষ্ট মেশান।ঘাড়ের ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। তারপর হাতের আঙ্গুল পানিতে ভিজিয়ে ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ বার এটি করুন।

৩। ওজন কমানঃ
অনেক সময় অতিরিক্ত ওজনের কারণে ঘাড়ে ভাঁজ পড়ে ঘাম জমে জমে কালো দাগই কেবল না, বলিরেখাও পড়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে সব চেয়ে ভালো উপায় হলো, ওজন কমিয়ে আনা।

ঘাড়ের কালো দাগ প্রতিরোধ করবেন যেভাবেঃ
-প্রতিবার মুখ ধোয়ার সময় ঘাড়ও ভালোভাবে ধুয়ে নিন
- ময়েশ্চারাইজার কেবল মুখে ও গলায়ই নয়, বরং ঘাড়েও লাগান
-মাসে একবার আমন্ড অয়েল গরম করে ঘাড়ে ম্যাসাজ করুন।
-রোদে বেরুবার আগে ঘাড়েও সানস্ক্রীন লাগান
- যেসব মেটালের গয়নায় ঘাড়ে কালো কালো দাগ পড়ে, সেগুলো এড়িয়ে চলুন।
ব্যস, এবার ঘাড়ের বিচ্ছিরি দাগ থেকে সহজেই মুক্তি পান আর এড়িয়ে যান পুনরায় কালো ছোপ পড়া থেকে। সুন্দর থাকুন, সবসময়!

মেঘ
বিউটিশিয়ান

শুক্রবার, ১৬ মে, ২০১৪

ত্বকের যত্নে গোলাপের পাপড়ির


যুগ যুগ ধরেই রূপচর্চার একটি অন্যতম উপাদান হলো গোলাপের পাপড়ি। প্রাচীন কাল থেকে রূপসচেতন নারীরা গোলাপের পাপড়ি ব্যবহার করে আসছেন তাদের রূপচর্চার উপাদান হিসেবে। আসুন জেনে নেয়া যাক রূপচর্চায় গোলাপের পাপড়ির ব্যবহার সম্পর্কে।

টোনার

গোলাপের পাপড়ি টোনার হিসেবে বেশ উপকারি। গোলাপের পাপড়ি সেদ্ধ করে পানিটা একটি বতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এরপর বাইরে থেকে এসে একটি তুলাতে সেই পানিটা ভিজিয়ে পুরো মুখ মুছে নিন। ত্বক থাকবে সুন্দর ও উজ্জ্বল।

ব্রণ দূর করে

যাদের অতিরিক্ত ব্রণের সমস্যা আছে তাঁরা গোলাপের পাপড়ি ব্যবহার করতে পারেন। গোলাপের পাপড়ি ব্রণ দূর করতে সহায়ক। যাদের ব্রণের উপদ্রব হয় তারা ব্রণের উপরে গোলাপের পাপড়ি বেটে লাগিয়ে রাখতে পারেন। গোলাপের পাপড়ির অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণকে ছোট করে দেয় এবং এর লালচে ভাব কমিয়ে আনে।

সানস্ক্রিন হিসেবে কাজ করে

গোলাপের পাপড়ি প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন হিসেবে উপকারী। বাইরের কড়া রোদে বের হওয়ার আগে গোলাপের রস, গ্লিসারিন ও শসার রস মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন। রোদে পোড়ার থেকে অনেকটাই রক্ষা পাবেন এই মিশ্রণটি ব্যবহার করে।

চোখের কালি দূর করে

গোলাপের পাপড়ি চোখের নিচের কালচে ভাব দূর করে দেয়। গোলাপের পাপড়ি পানিতে সেদ্ধ করে রেখে দিন। এরপর সেটা ঠান্ডা করে নিন। এরপর একটি তুলা গোলাপের পানিতে ভিজিয়ে চোখে দিয়ে ১৫ মিনিট চোখ বন্ধ করে রাখুন। এভাবে প্রতিদিন ব্যবহার করলে চোখের কালি দূর হয়ে যাবে।

ত্বককে মসৃণ করে

গোলাপের পাপড়িতে আছে প্রাকৃতিক তেল যা ত্বকের ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। নিয়মিত গোলাপের পাপড়ির রস অথবা গোলাপের পাপড়ির তেল ত্বকে লাগালে ত্বক হয়ে ওঠে মসৃণ ও উজ্জ্বল।

মেঘ

বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০১৪

বিশ্বের ৯টি সেরা রঙ ফর্সাকারী ক্রীমের "ভালো-মন্দ"

ত্বকের যত্নে প্রতিনিয়ত আমরা কত কিছুই করে থাকি। ব্যস্ত জীবনে হয়তো ঘরোয়া উপায়ে সব সময় ত্বকের যত্ন করা হয়ে ওঠে না। তাই আমাদের নির্ভর করতেই হয় ফেয়ারনেস ক্রীমের ওপর। কিন্তু যেন তেন ক্রীমের ব্যবহার কিন্তু আপনার ত্বকের জন্যে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতির কারণ। দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া, কালো হয়ে যাওয়া, মসৃণতা নষ্ট সব ত্বকে নানা স্থায়ী দাগও পড়ে যেতে পারে। তাই জেনে নিন বিশ্বের সেরা ৯ ক্রীমের ভালো মন্দ যা বাংলাদেশেও সহজলভ্য।
১। ওলে ন্যাচারাল হোয়াইট ক্রীমঃ
• এতে আছে ট্রিপল নিউট্রিয়েন্ট সিস্টেম, ভিটামিন বি-৩, প্রো বি-৫ ও ই
• নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকে একটা উজ্জ্বল আভা দেখা দেয়
• এসপিএফের মাত্রা-২৪ এবং ত্বকের সাথে খুব সহজে মিশে যায়।
সমস্যাজনক দিকঃ
• তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে অনেক চকচকে মনে হতে পারে
• বলিরেখা প্রতিরোধে এর কোন ভূমিকা নেই
২। টাচ এন্ড গ্লো এডভান্সড ফেয়ারনেস ক্রীমঃ
• এতে আছে উদ্ভিদের নির্যাস ও মাল্টিভিটামিন
• এসপিএফ-১৫, তৈলাক্ত ত্বকে ম্যাট লুক আনে
• ত্বক কিছুটা উজ্জ্বল করে
সমস্যাজনক দিকঃ
• এসপিএফের মাত্রা যথেষ্ট নয়। রোদে সূর্য থেকে সুরক্ষা দেয় না।
৩। লোটাস হারবারল হোয়াইট গ্লো স্কিন ইমালশনঃ
• এটি অনেকটা লোশনের মত। সহজেই ত্বক এটাকে শুষে নেয়
• এসপিএফ ভালো এবং তৈলাক্ত ত্বকের জন্যে পারফেক্ট
সমস্যাজনক দিকঃ
• দামের তুলনায় পরিমাণে থাকে খুবই কম ।
৪। ক্লিন এন্ড ক্লিয়ার ফেয়ারনেস ক্রীমঃ
• তৈলাক্ত ত্বকের জন্যে দারুণ কার্যকর
• ইউ ভি ফিল্টার সূর্যের অতি বেগুনী রশ্নি থেকে ত্বককে বাঁচায়।
• ত্বকের রোমকূপকে বন্ধ করে না ফলে ত্বক ব্রন থেকে সুরক্ষিত থাকে
• খুব সামান্য পরিমাণ ব্যবহারেই দারুণ কাজ দেয়
সমস্যাজনক দিকঃ
• শুষ্ক ত্বকের জন্যে ভালো নয়। ত্বকে সাদাটে পাউডারের মত ছোপ রেখে যায়
• এলকোহল ও আরো কিছু উপাদান এতে থাকে। যাতে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে
৫। লরিয়েল প্যারিস পার্ল পারফেক্ট ট্রান্সপারেন্ট রোজি ফেয়ারনেস ডে ক্রীমঃ
• সব ধরনের ত্বকের উপযোগী
• সূর্যের অতি বেগুনী রশ্নি থেকে ত্বককে বাঁচায়।
• ত্বকের উজ্জ্বল আভা আনে নিয়মিত ব্যবহারে।
সমস্যাজনক দিকঃ
• অন্যান্য ক্রীমের তুলনার দাম বেশি
৬। ল্যাকমে পারফেক্ট রেডিয়েন্স ইন্সটেন্স হোয়াইটেনিং ডে ক্রীমঃ
• ভিটামিন বি-৩ যুক্ত
• ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে ও উজ্জ্বলতা বাড়ায়
• সাধারনত ব্যবহারের পর ত্বকের উপর বাড়তি কিছু দেয়া আছে বলে মনে হয় না
সমস্যাজনক দিকঃ
• এতে কিছু ক্ষতিকর উপাদান আছে যা ত্বকের জন্যে ভালো নয়
৭। পন্ডস হোয়াইট বিউটিঃ
• তৈলাক্ত ত্বকে খুব ভালো মানিইয়ে যায়
• আর্দ্র আবহাওয়ায় খুব ভালো কাজ করে।
• এসপিএফের মাত্রা ২০ এবং খুব দ্রুত ত্বকের সাথে মিশে গিয়ে দ্রুত এক ধরনের গোলাপী আভা দেখা দেয়
সমস্যাজনক দিকঃ
• শুষ্ক ত্বকের জন্যে যথেষ্ট ময়েশ্চারাইজার সম্পন্ন নয়।
৮। নিভিয়া ভিসেজ স্পার্কলিং গ্লো ক্রীমঃ
• সব ধরনের ত্বকের সাথে মানিয়ে যায় ও ত্বকের মেলানিনের মাত্রা কমিয়ে আনে
• ত্বকে আর্দ্রতা যুগিয়ে মসৃণ করে তোলে
• আল্ট্রাভায়োলেট রে থেকে ত্বককে রক্ষা করে।
• এতে হোয়াইন ক্রিস্টালিন টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছে
সমস্যাজনক দিকঃ
• পরিমাণের তুলনায় কিছুটা দামী
৯। গার্নিয়ার লাইট ওভারনাইট পিলিং ফেয়ারনেস ক্রীমঃ
• এতে আছে মাইক্রোপিলিং ফলের নির্যাস
• সব ধরনের ত্বকের সাথে মানিয়ে যায় ও ত্বকের রঙের অসামঞ্জস্য দূর করে
• ভিটামিন সি ত্বককে সজীব করে তোলে
• ত্বকের দাগ দূর করে
সমস্যাজনক দিকঃ
• তৈলাক্ত ত্বকের জন্যে কিছুটা চকচকে ও ভারী মনে হতে পারে।
তাহলে এবার বেছে নিন এপ্নার ত্বকের জন্যে এই বিশ্বসেরা ক্রীমগুলোর মধ্যে কোনটি পারফেক্ট! কেননা, ত্বকের যত্নে “নো কম্প্রোমাই

মেঘ
বিউটিশিয়ান



মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০১৪

৫ টি সৌন্দর্য সমস্যার ঝটপট ঘরোয়া সমাধান

ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষায় আমরা নানা ধরণের কাজ করে থাকি। কিন্তু সব সময় সব ধরণের সমস্যা থেকে খুব সহজে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয় না। ত্বকের কিছু সমস্যা, চুলের সমস্যা, কুনুই ও হাটুতে কালো ছোপ সহ নানা সমস্যার কারণে আমরা কেউই একেবারে সঠিক সৌন্দর্য পাই না।
এই ধরণের সৌন্দর্য সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরা নানা উপায় খুঁজে থাকি। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না ঘরের টুকিটাকিতেই এই ধরণের সৌন্দর্য সমস্যার খুব ভালো সমাধান পাওয়া সম্ভব। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক এমনই ৫ টি সমস্যা ও তার ঘরোয়া সমাধান।

ত্বকের কালচে ভাব ও রুক্ষতা দূর করতে
নরম ও উজ্জ্বল ত্বক পেতে কার না মন চায়। কিন্তু ত্বকের কালচে ভাব এবং রুক্ষতা দূর না করতে পারলে তো আর তা পাওয়া সম্ভব নয়। তাই নরম ও উজ্জ্বল ত্বক পেতে ব্যবহার প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ গোলাপ জল, ১ টেবিল চামচ গ্লিসারিন এবং ১ টেবিল চামচ তাজা লেবুর রস খুব ভালো করে মিশিয়ে ত্বকে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। খুব সহজেই নরম ও উজ্জ্বল ত্বক পেতে পারেন।

কুনুই এবং হাঁটুর কালচে ছোপ দূর করতে
কুনুই ও হাতুড়ে খুব সহজেই কালচে ছোপ পরে যায়। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে চাইলে একটুকরো লেবুর ওপর খানিকা চিনি ছড়িয়ে নিয়ে কালচে অংশগুলোতে ঘষুন। এরপর ২০ মিনিট পরে একটি তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে তা দিয়ে কালচে অংশ আবার ঘষে নিন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্যস সমস্যার সমাধান।

নখের পাশের মোটা চামড়া
হাত ও পায়ের নখের পাশে অনেক সময় মোটা চামড়া নজরে পরে। এতে নখের সৌন্দর্য নষ্ট হয়। এর থেকে মুক্তি পেতে একটুকরো আলু নিয়ে মোটা চামড়ার ওপর ঘষুন। এরপর একটি তুলোর বলে আলুর রস নিয়ে তা দিয়ে আলতো করে ১০ মিনিট ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মোটা চামড়া দূর হয়ে যাবে।

চোখের নিচের ফোলা ভাব
চোখের নিচেতা ফোলা ভাব থাকলে দেখতে বেশ বিশ্রী লাগে। এর থেকে মুক্তি পেতে চাইলে দুটি তুলোর বল গোলাপ জলে ভিজিয়ে চোখের ওপর রেখে দিন ২০ মিনিট। চাইলে ব্যবহৃত টী বাসগ ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করেও চোখের ওপর রাখতে পারেন। ফোলা ভাব দূর হবে নিমেষেই।

স্বাস্থ্যউজ্জ্বল চুলের কন্ডিশনার
কন্ডিশনার চুলের জন্য বেশ জরুরী। কিন্তু কন্ডিশনারের কেমিক্যাল চুলের অনেক ক্ষতি করে। তাই ঘরোয়াভাবেই চুলকে কন্ডিশন্ড করে নিতে পারেন খুব সহজে। ঠাণ্ডা কাঁচা দুধ নিন। গোসলের পূর্বে এই ঠাণ্ডা কাঁচা দুধ চুলে লাগান এবং একটি চিরুনি দিয়ে ভালো করে আঁচড়ে নিন। চাইলে একটি স্প্রে বোতলে ভোরে চুলে স্প্রে করে নিতে পারেন। ৩০ মিনিট চুলে রেখে সাধারণ ভাবে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে উজ্জ্বল ও চকচকে।




মেঘ

বিউটিশিয়ান




কালচে ঠোঁটকে নজরকাড়া গোলাপী করে তুলুন ৭ টি সহজ উপায়ে

সুন্দর হাসির জন্যে সুন্দর ঠোঁটের প্রয়োজনীয়তা কে না বোঝে। লিপস্টিক হোক বা গ্লস জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকার কারণ কিন্তু এই একটাই। কিন্তু নানা কারণে আপনার ঠোঁট হয়ে যেতে পারে কালচে আর রুক্ষ। অতিরিক্ত রোদ, বেশী মাত্রায় চা কফি পান, নিম্নমানের লিপস্টিক, ধূমপান এসব নানা কারণে ঠোঁট কালচে হয়ে যায়। কিন্তু একবার কালচে হয়ে গেলে আবার আগের রঙ ফিরিয়ে আনা বেশ কঠিন ও খরচসাপেক্ষ। ঘরে বসেই যদি হাতের কাছের উপাদান দিয়ে ঠোঁটে ফিরিয়ে আনা যেত সেই গোলাপী আভা!মোটেই অসম্ভব নয়। জেনে নিন সহজ ৭ টি উপায়।

১। লেবু ও মধুর মিশ্রণঃ
সমপরিমাণ লেবু ও মধু মিশিয়ে মিশীয়ে ঠোঁটে লাগান। ১ ঘন্টা রেখে দিন, তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন বা মুছে ফেলুন। এভাবে যতবার ইচ্ছে লাগাতে পারেন। আর এই মিশ্রণটি ফ্রিজে প্রায় ১ সপ্তাহের মত রেখে ব্যবহার করতে পারবেন। দেখবেন কিছুদিনের মাঝেই আপনার ঠোঁটের রঙ পরিবর্তন হতে শুরু করেছে।

২। গ্লিসারিনঃ
শুষ্ক ঠোঁট দ্রুত রোদের সংস্পর্শে এসে কালো হয়। তুলোতে খানিকটা গ্লিসারিন নিয়ে ঘুমুতে যাবার আগে ঠোঁটে লাগান। সকাল পর্যন্ত ধোয়ার দরকার নেই। এভাবে ঠোঁটের শুষ্কতা ও কালচে ভাব
দুটোই কমে আসবে।

৩। পানিঃ
প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। ঠোঁটের রঙের ওপর পানিশুন্যতার ভূমিকা রয়েছে।

৪। ঠোঁটের প্রসাধনীঃ
ঠোঁটের জন্যে কি প্রসাধনী ব্যবহার করছেন তাতে নজর বুলিয়ে নিন। সস্তা বা খারাপ মানের প্রসাধনী ঠোঁটের জন্যে ব্যবহার করবেন না। এতে ব্যবহৃত কেমিকেল ও রঙ আপনার ঠোঁটকে কালো করে ফেলে।

৫। আমন্ড অয়েলঃ
আমন্ড অয়েল বেশ সহজলভ্য আর যেকণ প্রসাধনীর দোকানেই পাওয়া যায়। দামেও সস্তা। চুল, ত্বকের পাশাপাশি এটি ঠোঁটের জন্যেও ভালো। রাতে ঘুমুবার আগে ঠোঁটে আমন্ড অয়েল লাগিয়ে ঘুমান। নিয়মিত ব্যবহারে ঠোঁটের গোলাপী রঙ ফিরে আসতে বাধ্য।

৬। শশার রসঃ
দৈনিক একটুখানি শসার রস ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। নিয়মিত ব্যবহার করে সপ্তাহখানেক পর ফলাফলটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

৭। সেই সাথে এক টুকরো লেবুতে খানিকটা চিনি মেখে ঠোঁটে ঘষতে পারেন। আর ধূমপান থেকে থাকুন দূরে। ঘন ঘন চা কফি একদম নয়। আর একটু নিয়ম করে ঠোঁটের যত্ন। ব্যস, লিপস্টিকের আর কি প্রয়োজন!




মেঘ

বিউটিশিয়ান