বুধবার, ৪ জুন, ২০১৪

টিপস

ত্বকের যত্নে আমরা কত কিছুই না করি! কিন্তু তারপরও কিছু জিনিস পিছু ছাড়ে না। যেমন ব্ল্যাকহেডস। দূষণ ও ময়লা লোপকূপে জমে ব্ল্যাকহেডস তৈরি করে। কালো রঙের এই বিন্দু বিন্দু জিনিসগুলো চেহারার সৌন্দর্যের বারোটা বাজিয়ে দেয়। বিউটি পারলারে না গিয়েও ঘরে বসেই এই ব্ল্যাকহেডস দূর করা সম্ভব। কী করে জেনে নিন সেই ঘরোয়া উপায়টি।
এক চা চামচ চালের গুঁড়া, আধা চা চামচ বেকিং পাউডার, এক চা চামচ মধু ও সামান্য একটু পানি একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ব্ল্যাকহেডস আক্রান্ত জায়গাগুলোতে লাগিয়ে পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর হালকা ম্যাসাজ করুন পাঁচ মিনিট। এরপর মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিনবার এ কাজ করুন, ব্ল্যাকহেডস ধারে কাছেও ঘেঁষবে না!

মেঘ

সোমবার, ২ জুন, ২০১৪

গরমে চাই ঝরঝরে চুল

চুল মেয়েদের সৌন্দর্যের গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। কে না চায় নিজের চুল যেন স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়? কিন্তু এর জন্য চাই সঠিক পরিচর্যা। তবেই না আপনি পেতে পারেন মনের মতো চুল। আর চুলের প্রতি অবহেলা করলে চুল হয়ে উঠবে শুষ্ক ও নির্জীব। যা আপনার সৌন্দর্যকে নিমিষেই ম্লান করে দিতে পারে। 
গরম মানেই ঘাম। আর এ ঘাম নিয়ে সমস্যার অন্ত নেই। বিশেষ করে চুলের ক্ষেত্রে। গরমে চুলের ক্ষতি হয় সবচেয়ে বেশি। কারণ চুলেই সবচেয়ে বেশি ময়লা আটকায়। ময়লা ছাড়াও বিভিন্ন সমস্যা যেমন- খুশকি, চুলপড়া, চুলে আঠালো ভাব ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।
এছাড়া ঘরে-বাইরে কাজের চাপে সব সময় পার্লারে যাওয়ার সময়ও হয়ে ওঠে না। আবার অনেকেই হয়তো মনে করেন, বাড়িতে চুলের যত্ন নেয়াটা বেশ পরিশ্রমের কাজ। সব মিলিয়ে দিনশেষে মনে হয় চুল না থাকলেই ভালো হতো। কিন্তু নিয়মিত কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চললে এ ভ্যাপসা গরমে ঝরঝরে ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল পাওয়াটা কঠিন কাজ নয়।
যেহেতু বাইরে প্রচুর রোদের তাপ। শরীর থেকে প্রচুর ঘাম হয়। ফলে চুল ভিজে যায়। চুলের গোড়া নরম হয়ে চুল পড়তে শুরু করে। তাই কোনো অবস্থাতেই চুল ভেজা রাখা যাবে না। প্রতিদিন চুল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
প্রতিদিনই চুলের ধরণ অনুযায়ী শ্যাম্পু করতে হবে। আর বাইরে বের হওয়ার আগে অবশ্যই চুল আটকিয়ে নিতে হবে। এরপর গন্তব্যে পৌঁছানোর পর চুল ছেড়ে দিলে চুলের গোড়া শুকিয়ে যাবে। কারণ চুল ছেড়ে বাইরে বের হলে ঘামে গোড়া ভিজে যায় এবং পরে শুকিয়ে গেলে চুলে একটা আঠালো ভাব বিরাজ করে। জট বেঁধে যায় এবং দেখতেও খারাপ লাগে।
কন্ডিশনার অবশ্যই লাগাতে হবে চুলের ধরন অনুযায়ী। সপ্তাহে দুইদিন অয়েল ম্যাসাজ করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এছাড়া সঙ্গে প্যাক লাগাতে হবে।
প্যাক ১ : টকদই ও পাকা কলা ভালো করে ব্লেন্ড করে ২০ মি. মাথায় রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। প্যাকটি চুলকে ঝরঝরে রাখতে সাহায্য করবে।
প্যাক ২ : টকদই, পাকা পেঁপে, কলা ও মধু ভালো করে মিশিয়ে চুলে লাগাতে হবে।২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে।এতে চুল ঝরঝরে ও চকচকে থাকবে এবং উজ্জ্বলতা বিরাজ করবে।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাই সৌন্দর্যের মূল কথা। ঘরে-বাইরে কাজের ভিড়ে এ গরমে সুরভিত থাকুন, আনন্দের সঙ্গে থাকুন। অস্বস্তি আর গরমের কষ্টকে না বলুন।

কিছু প্রয়োজনীয় টিপস

* প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন
* খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে তাজা শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন
* বেশি করে তরমুজ ও বেলের শরবত পান করুন
* তেল মশলাযুক্ত খাবার পরিহার করুন
* রাস্তার খোলা খাবার থেকে বিরত থাকুন
* দিনের শেষে বাড়ি ফিরে চুল ভালো করে শুকিয়ে নিন
* গরমে বেশি চা, কফি খাবেন না
মেঘ

এই গরমে ত্বকের যত্ন

এই গরমে ঘাম থেকে ঘামাচিসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও ত্বকের যত্ন সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। নিতে হবে বাড়তি দায়িত্ব। 
ত্বক সতেজ রাখতে : গোলাপের পাপড়ি, খেজুর, দুধে ভিজিয়ে রাখুন। ২-৩ ঘণ্টা পেস্ট করে চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। পরে ঠাণ্ডা পানির সাহায্যে ধুয়ে ফেলুন।ত্বক মসৃণ হবে।
এ ছাড়া কমলালেবুর রস ভালো ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে। এর সঙ্গে দুধ ও ময়দা মিশিয়ে মুখের ত্বক পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন। অতিরিক্ত খসখসে ভাব থাকলে রাতে ঘুমানোর সময় ত্বক পরিষ্কার করে পেট্রোলিয়াম জেলি ত্বকে লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। সকালে ধুয়ে ফেলুন, উপকার পাবেন। সারা বছরই ব্যবহার করতে পারেন।
ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে : গরমে ত্বকে তেলের পরিমাণটা একটু বেশিই থাকে। ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্তভাব দূর করতে সিদ্ধ ওটস্, ডিমের সাদা অংশ, লেবুর রস এবং থেঁতো করা আপেল একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তৈলাক্ত ত্বক দ্রুত ঘেমে যায় ও ময়লা দ্রুত শুষে নেয়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনি শসার রস পরিমাণমতো, আধা চা চামচ লেবুর রস, আধা চামচ গোলাপ জলে মিশিয়ে লোশনের মতো মুখে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত চার-পাঁচ দিন করুন।
ব্রণ দূর করতে : গরমে ব্রণের মাত্রা বেড়ে যায়। ব্রণ এড়াতে সপ্তাহে তিন-চার বার চিরতার পানি এবং দুই-তিনটি কাঁচা হলুদ ও আখের গুঁড় খেতে পারেন। সব সময় মুখ পরিষ্কার রাখবেন। নিমপাতা, হলুদ, চিরতা ও মুলতানি মাটি এক সঙ্গে মিলিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যবহার করলেও উপকার পাবেন।
ঘামাচির সমস্যায় : যাদের ত্বকে নিয়মিত ঘামাচি হয়, তারা নিমপাতার রস লাগালে উপকার পাবেন। তেঁতো জাতীয় খাবার খান। ঘাম বেশি হলে ট্যালকম পাউডারের সঙ্গে এক চিমটি খাওয়ার সোডা ব্যবহার করতে পারেন। নিয়মিত ডিওডোরান্ট ও বডি স্প্রে ব্যবহার করুন। সমস্যা বেশি হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো ছত্রাকনাশক ক্রিম, লোশন ও পাউডার ব্যবহার করুন।
রোদে পোড়া ত্বকের যত্ন : রোদে পোড়ার কারণে ত্বকে এক ধরনের বাদামি ও কালো ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। এ দাগ দূর করা কঠিন নয়। ঘরে বসেই তা করতে পারেন। টক দই, শসার রস, তিলের তেল এক সঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রণটি ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এ ছাড়া দিনে একবার রোদ থেকে ফিরে তরমুজের রস লাগাতে পারেন। ত্বক উজ্জ্বল লাগবে। এক চা-চামচ মুগ ডাল সামান্য কাঁচা দুধে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে পেস্ট করে মুখে-ঘাড়ে মাখুন। ১০ মিনিট পর স্ক্রাব করুন। তারপর পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এটি ত্বকের ওপরের মরা কোষের আবরণ সরিয়ে উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। মধু আর কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে-গলায় লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। মধু প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ দেবে আর লেবুর প্রাকৃতিক ব্লিচিং গুণ ত্বককে আরও পরিষ্কার করবে। লাউয়ের রস, তরমুজের জুস বরফ করে মুখে ঘষুন। এতে রোদে পোড়াভাব দূর হয়ে সঙ্গে সঙ্গে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল মোলায়েম।
মেঘ

চেহারার উজ্জ্বলতা বাড়াতে কলার প্যাকে

দই, কলা, ডিম স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকার। তবে প্রচন্ড গরমে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও বেশ কাজ করে এগুলো। এ তিনটির মিশ্রনে তৈরি প্যাক আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও কেরামতি দেখাবে। এমনকি ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন পার্লারের ফেসিয়ালের মতো উপকারিতা।


অর্ধেকটা কলা, ১টি ডিমের সাদা অংশ ও ১ টেবিল চামচ দই একসাথে মিশিয়ে প্যাকটি তৈরি করুন।


প্রথমে কলা ভালো করে চটকে নিয়ে ডিমের সাদা অংশ ও দইয়ের সঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর পুরো মুখে ভালো করে সমান ভাবে লাগান।

১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এরপর পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। দেখবেন কতটা সতেজ হয়ে উঠে আপনার ত্বক।

মেঘ

শনিবার, ৩১ মে, ২০১৪

টিপস

আপনার চুল যে পুষ্টিহীনতায় ভুগছে, তার অন্যতম লক্ষণ হলো চুলের ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া, চুল পড়া এবং চুলের আগা ফাটা। চুলের এসব অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে অনেকে অনেক কিছুই করে থাকেন। কিন্তু যে কাজটা করলে সবচেয়ে দ্রুত ফল লাভ করবেন তা হলো চুলে ডিমের প্রয়োগ। ডিমের গন্ধের কারণে অনেকেই চুলে ডিম দিতে চান না। জেনে নিন চুলে ডিম দেয়ার একটি গন্ধহীন পদ্ধতি।
ডিমের সাদা অংশটি আলাদা করে নিয়ে খুব ভালো করে ফেটুন। ফেনা না ওঠা পর্যন্ত ফেটতে থাকুন। এরপর এতে দুই টেবিল চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে আবার ফেটুন। এবার এতে এক চা চামচ লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মেশান। মিশ্রণটি পুরো চুলে লাগান। আধা ঘণ্টা রেখে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একবার এভাবে চুলে ডিম লাগান। এতে আপনার চুল হবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

মেঘ

টিপস

বাসায় এটা-সেটা বানাতে বেকিং পাউডার লাগেই। কেক বলুন আর মুচমুচে পিঠা বলুন! প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই তাই থাকে এক কৌটা বেকিং পাউডার। কিন্তু অনেক সময় খুব বেশি ব্যবহার না হলে পরিমাণে অনেকখানি থাকতে থাকতেই এর মেয়াদউত্তীর্ণ হয়ে যায়। তখন কী করেন? নিশ্চয়ই বেকিং পাউডারগুলো ফেলে দেন। ফেলে না দিয়ে করতে পারেন আরেকটি কাজ। আপনার বাড়ির টাইলস পরিষ্কার করতে পারেন। কী করে? জেনে নিন পদ্ধতিটি।
এক কাপ ভিনেগার নিন। ভিনেগারে আধা কাপ বেকিং পাউডার মেশান। এরপর একটি নরম সুতি কাপড় মিশ্রণে ভিজিয়ে টাইলসে প্রলেপ দিন। ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন। টাইলস হয়ে উঠবে নতুনের মতো ঝকঝকে!

মেঘ

টিপস

নাগরিক জীবনে বাগানের শখটা অনেকেই পূরণ করেন বারান্দা অথবা ছাদে টবে গাছ লাগিয়ে। ফুলগাছের উজ্জল রঙিন ফুল অথবা পাতাবাহারের বাহারি রঙ, মনে ভালো করে দেবার জন্য যথেষ্ট! আপনার শখের বাগানের ফুলগাছগুলোর ফুল আরো বড়, আরো উজ্জল করে তুলতে চান? না, কোনো বিশেষ সার ব্যবহার করতে হবে না। ঘরের ফেলনা জিনিসেই হবে? কী সেই জিনিস? জেনে নিন।
অসুখ হলে ওষুধ তো খেতেই হয়, তাই না? প্রায় সব বাড়িতেই কিছু না কিছু ওষুধের মজুদ থাকেই। মেয়াদউত্তীর্ণ ভিটামিন, আয়রন ইত্যাদি ট্যাবলেট থাকলে সেগুলো পানিতে গুলে গাছের গোড়ায় দিন। গাছের ফুল হবে আরো বড়, আরো রঙিন।

মেঘ