সারাদিন শত কাজের ব্যস্ততায় থাকতে থাকতে ত্বকের অবস্থা একেবারে খারাপ হয়ে যায়। বিশেষ করে এই গরমের সময়। সারাদিনের কাজের ক্লান্তি, রোদের তীব্রতা এবং ধুলোবালির ছাপ পড়ে যায় ত্বকে। দিন শেষে একটু কোথাও বেড়ানোর কথা থাকলে ত্বকের এই দুরাবস্থা দেখে অনেকের মেজাজই খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু এই সমস্যারও সমাধান রয়েছে। মাত্র ১৫ মিনিট ব্যয় করে ত্বকের উজ্জলতা আনতে পারবেন খুব সহজে। ত্বকও হবে নরম ও কোমল। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক ত্বকের উজ্জ্বলতা মাত্র ১৫ মিনিট ব্যয়ে ফিরিয়ে আনার সহজ দুটি পদ্ধতি।
প্রথম পদ্ধতিঃ
- একটি বাটিতে ১ টি ডিমের সাদা অংশ নিন
- এতে ২ টেবিল চামচ তাজা লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন
- মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে গরম পানির ভাপ নিন ৩/৪ মিনিট।
- এরপর ডিম ও লেবুর মাস্কটি লাগান ত্বকে।
- ১০-১২ মিনিট পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে মুছে ফেলুন। ফিরিয়ে আনুন ত্বকের শুভ্রতা ও উজ্জলতা।
দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ
- একটি বাটিতে ১ টেবিল চামচ ময়দা নিন।
- এতে ১ টেবিল চামচ মধু এবং পরিমাণ মতো দুধ দিয়ে মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুন
- খুব ভালো করে মেশাবেন, পেস্টটি যেন একটু পাতলা ধরণের হয়।
- এরপর এই পেস্টটি একটি ব্রাশের সাহায্যে মুখ ও গলার ত্বকে লাগান। চাইলে হাতে ও পায়েও লাগাতে পারেন।
- ১৫ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মাস্কটি ধুয়ে ফেলুন।
- সামান্য ময়েসচারাইজার লাগিয়ে নিন
- দেখবেন কি সুন্দর উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে
মেঘ
আদা আমাদের অতি পরিচিত একটি মশলার নাম। আদাকে মশলাই বলা চলে। আদা আমরা খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্যই বিশেষভাবে ব্যবহার করে থাকি। আদা কুচি বা আদা বাটা খাবারের স্বাদ বাড়ায়। আদা খাবারে স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি আমাদের দেহের সুস্থতার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। আদা পেটের যে কোনও সমস্যা, সর্দি কাশি নিরাময়ে বেশ সহায়তা করে। কিন্তু আপনি জানেন কি, এতো সব কিছুর পাশাপাশি আদার রয়েছে বেশ কিছু সৌন্দর্য উপকারিতা? অনেকেই এই ব্যাপারটি সম্পর্কে অবগত নন। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক চেনা আদার অচেনা কিছু সৌন্দর্য উপকারিতা।
বয়সের ছাপ প্রতিরোধে আদা
আদার মধ্যে অ্যান্টিএইজিং উপাদান রয়েছে যা ত্বকে বয়সের ছাপ ফেলতে বাধা প্রদান করে। এছারা আদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের টক্সিন দূর করে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে ও ত্বকের সতেজ ভাব ধরে রাখে। তাই প্রতিদিন সামান্য আদা কাচা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। চেহারায় বহুকাল বলিরেখা পড়বে না।
ত্বকের পোড়া অংশ নিরাময়ে আদা
মাঝে মধ্যেই কাজ করতে গিয়ে যে কেউ পুড়িয়ে ফেলতে পারেন হাত বা পায়ের বা দেহের যে কোনো অংশের ত্বক। ত্বকের এই পুড়ে যাওয়া নিরাময় করতে আদা বেশ সহায়ক। তাজা আদার রস পোড়া অংশে দিয়ে রাখুন। দেখবেন দ্রুত সেরে উঠবে। এছাড়া ত্বকের পোড়া অংশের দাগও দ্রুত চলে যাবে।
উজ্জ্বল ত্বকের জন্য আদা
প্রতিদিন খানিকটা আদা কেটে নিয়ে ত্বকে ভালো করে ঘষুন। সারাদিন শেসে বাসায় ফিরে খানিকটা আদা কেটে হাত, গলা ও মুখে ঘষুন। দেখবেন ত্বকের উপরিভাগের উজ্জ্বলতা অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। এতে করে ত্বকের দাগও চলে যাবে।
চুল পড়া প্রতিরোধ ও নতুন চুল জন্মাতে আদা
আদার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট চুলের গোড়া মজবুত করে তোলে। গোসলের ২৫-৩০ মিনিট আগে তাজা আদার রস পুরো চুলে তেলের মতো করে লাগিয়ে নিন। মাথার ত্বকে চুলের গোড়ার দিকে লাগাবেন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহারে চুল পড়া ৭৫% পর্যন্ত কমে যাবে। আদার রস মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, এতে নতুন করে চুল জন্মায় ও চুল হয় স্বাস্থ্যউজ্জ্বল।
চুলের আগা ফাটা ও রুক্ষতা দূর করতে আদা
আদার তেল শ্যাম্পুর সাথে মিশিয়ে নিয়ে তা দিয়ে চুল ধুলে চুলের আগা ফাটা এবং রুক্ষতা একেবারে দূর হয়ে যায়। এটি চুলের প্রাকৃতিক ময়েসচারাইজারের মতো কাজ করে। আদার তেল মার্কেটে না পেলে ঘরেই বানিয়ে নিতে পারেন খুব সহজে। ১ কাপ অলিভ অয়েলে বড় একটি আদার খণ্ড কুঁচি করে দিয়ে তেল গরম করুন। ফুটতে দেবেন না তেল। গরম হলে নামিয়ে নিন। এভাবে ৪/৫ বার করে তেল ঠাণ্ডা করে আদা তেল থেকে ছেঁকে নিয়ে তৈরি করে ফেলুন আদার তেল।
মেঘ
পার্লারে যারা ফেসিয়াল করান, তারা সকলেই জানেন যে ফ্রুত ফেসিয়াল কি বহুমূল্য একটা বস্তু। তবে এখন আর পার্লার যেতে হবে না, ঘরে বসেই আপনি সেরে নিতে পারবেন চমৎকার ফ্রুট ফেসিয়াল। ত্বক তো সুন্দর থাকবেই থাকবে, সাথে অনেকগুলো টাকাও সাশ্রয় হবে।১. কলা-
কলার মধ্যে ভিটামিন এ, বি ও ই পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। ফেশিয়ালের জন্য প্রথমে ভাল করে পাকা কলা চটকে নিয়ে তার মধ্যে মধু মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে লাগাতে হবে। ২০ মিনিট পর জলে ধুয়ে নিতে হবে। এতে ত্বক নরম ও উজ্জ্বল হয়।
২. লেবু-
ভিটামিন সি-এর উৎস লেবু। এটি ব্লিচের কাজ করে। মুখের দাগ, অ্যাকনে, স্কিন টোনিং ও মুখকে পরিষ্কার করতে সক্ষম। এছাড়াও এক গ্লাস উষ্ণ গরম পানিতে হাফ লেবুর রস ও এক টেবিল চামচ মধু দিয়ে মিশিয়ে খেয়ে নিজের দিনের শুরুটা করুন। এতে উপকারটা আপনারই। এটি সেলুলয়েড গঠনে সাহায্য করে এবং ভিতর থেকে আপনার ত্বককে পরিষ্কার করে। লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে লাগালেও মুখকে দাগমুক্ত করতে সাহায্য করে ও উজ্জ্বল করে তোলে।
৩. কমলালেবু-
কমলালেবুর মধ্যে ভিটামিন সি আছে, যা ত্বককে উন্নত করতে সাহায্য করে। মুখের দাগ হ্রাস করতে ও বয়সের ছাপ দূর করতে খুব উপকারী। শুকনো কমলালেবুর খোসা গুঁড়ো করে নিয়ে তা দিয়ে সপ্তাহে অন্তত দু’দিন মুখে মাসাজ করতে হবে। এটি স্ক্রাবারের কাজ করে।
৪. আপেল-
আপেলের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে লাগান। শুকাতে দিন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন। এটি এক ভাল হাইড্রেটিং ফেস প্যাক। যা আপনার মুখকে বলি রেখার হাত থেকে রক্ষা করবে।
৫. পেঁপে-
মুখের মরা কোষ হ্রাস করতে পেঁপে ভীষণ কার্যকরী। মুখে পেঁপের ভিতরের অংশটা মুখে ১ মিনিট ধরে ঘষতে পারেন। এতে মুখ নরম ও পরিষ্কার হয়। পেঁপে ও তার মধ্যে ২ টেবিল চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে ২০ মিনিটের জন্য মুখে মাস্কের মত লাগিয়ে নিন। এবার ২০ মিনিট রেখে উষ্ণ গরম পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। এবার মুখে ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। পার্থক্যটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।
মেঘ
এবারে গরমটা যেন একটু বেশিই পড়েছে! কড়া রোদ, চিটচিটে ঘাম আর সেই সঙ্গে ঘামের দুর্গন্ধ - জীবনটাকে দুর্বিষহ করে তুলতে আর কি চাই? গরমের চোটে ফ্রেশ থাকাটাই দায় হয়ে পড়ে। আর যখন ফ্রেশ থাকা যায় না তখন অস্বস্তি তো লাগবেই! এই গরমে স্বস্তি পেতে চাইলে কিছু বিষয়ে একটু বেশি খেয়াল রাখুন।স্বস্তি পেতে গোসল :
দিনে দু বার গোসল করার চেষ্টা করুন। গোসলের সময় বডি স্ক্রাবার ব্যবহার করতে পারেন। এতে শরীরের ধুলোময়লা সহজে পরিষ্কার হবে। গোসলের সময় ঘাড়, পায়ের অংশ ও আন্ডারআর্ম ভালো করে পরিষ্কার করতে ভুলবেন না। কারণ শরীরের এই অংশগুলো থেকেই সাধারণত দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। চন্দন, গোলাপ বা অ্যালোভেরার মতো প্রাকৃতিক উপাদান সমৃদ্ধ সাবান বা শাওয়ার জেল ব্যবহার করুন। এই প্রাকৃতিক উপাদানগুলো ন্যাচারাল কুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে এবং গরমের সময় ত্বকের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করে।
ডিওডোরেন্ট :
বেশির ভাগ ডিওডোরেন্টই অ্যান্টি পারস্পিরেন্টের কাজ করে। গরমের সময় রোল অন ডিওডোরেন্টের চেয়ে স্প্রে ডিওডোরেন্টই ভালো। তবে খেয়াল রাখুন, আপনি যে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করছেন তা মাইল্ড কিনা। শরীর ঘাম নিঃসরণ করে স্বাভাবিকভাবেই নিজেকে ঠাণ্ডা রাখে। তাই খুব কড়া অ্যান্টি পারস্পিরেন্ট ব্যবহার করে ঘাম নিঃসরণ বন্ধ করে দেয়া ঠিক নয়।
পাউডার ও পারফিউম :
গরমের সময় ফ্রেশ থাকার জন্য অনেকে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করে থাকেন। ট্যালকম পাউডার ব্যবহারে সাময়িকভাবে শরীরে দুর্গন্ধের সমস্যা কিছুটা কমে যায়। কিছুক্ষণের জন্য ঘাম শুকিয়ে ফ্রেশ থাকতে সাহায্য করে ট্যালকম পাউডার। গরমের সময় হালকা সুগন্ধের পাউডার উপযুক্ত। উগ্র গন্ধের পারফিউম মাথাব্যথার মতো সমস্যা তৈরি করে।
মাস্ক :
গরমের সময় ত্বকে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। রোদ থেকে ত্বক লাল হয়ে যায় এবং র্যাশ বেরোয়। এজন্য দরকার সামার মাস্ক। ১ টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে ১০ থেকে ১৫ ফোঁটা লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ ময়দা ও গোলাপজল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। রোদে পোড়া ত্বকে লাগান টক দই ও ময়দার মিশ্রণ। এটাও ত্বকের সমস্যা কমায়।
মেঘ
মেকআপ রিমুভার যে কতোটা গুরুত্বপূর্ণ তা সব নারীরাই জানেন। মেকআপ না তোলা এবং ঠিক মতো মেকআপ না তোলার ফলাফল পুরোটাই ভোগ করতে হয় আমাদের ত্বকের। ঠিকমতো মেকআপ না তুললে শুরু হয় ব্রনের সমস্যা। এমনকি বয়সের আগেই ত্বক বুরিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে মেকআপ না তুললে। তাই মেকআপ তোলাটা এবং ভালো করে তোলাটা অনেক বেশি জরুরী।আপনি মার্কেট থেকে যে সব মেকআপ রিমুভার কিনে থাকেন তার বেশিভাগই থাকে নানা কেমিকেলে ভরপুর। সেসকল মেকআপ রিমুভার নিয়মিত ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই আজ আপনাদের জন্য রইল সম্পূর্ণ নিরাপদে মেকআপ তোলার জন্য প্রাকৃতিক মেকআপ রিমুভার তৈরির পদ্ধতি।
দুধ এবং শসার মেকআপ রিমুভার
দুধ আমাদের ত্বকের জন্য অনেক ভালো একটি খাদ্য উপাদান। এই দুধ ব্যবহার করে অনায়াসে আমরা আমাদের মেকআপ রিমুভার বানিয়ে ফেলতে পারি
৪/৫ চা চমচ গুঁড়ো দুধ এবং ৩/৪ চা চামচ শসার রস একসাথে মিশিয়ে নিন। এতে প্রয়োজন মতো গরম পানি দিয়ে তরল পেস্টের মতো তৈরি করুন। এরপর একটি ব্রাশের সাহায্যে এই মিশ্রণটি মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর মুখ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে আলতো ঘষে ধুয়ে ফেলুন। এতে মেকআপ উঠে যাবে এবং ত্বকও উজ্জ্বল হবে।
ময়দা এবং টকদইয়ের মেকআপ রিমুভার
১ টেবিল চামচ ময়দা, ১ চিমটি হলুদ গুঁড়ো এবং প্রয়োজনমতো টকদই একটি বাটিতে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে মুখ ২/৩ মিনিট ম্যাসাজ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মেকআপ ত্বকের গভীর থেকে দূর হওয়ার পাশাপাশি ত্বক থাকবে সুস্থ।
মেঘ
মেছতার দাগ নিয়ে অনেকেই বিপদে পরেন। মুখে কালো বা বাদামী রঙের ছোপ ছোপ দাগের কারণে দেখতেও ভালো লাগে না। মেছতার দাগ নারীদের মধ্যেই বেশি চোখে পড়ে। মেছতার জন্য আধুনিকভাবে বেশ কয়েকটি চিকিৎসা রয়েছে। কিন্তু সব চাইতে ভালো হয় মেছতার দাগ যদি প্রাকৃতিক উপায়ে দূর করা যায়। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক প্রাকৃতিক উপায়ে মেছতার দাগ দূর করার পদ্ধতিগুলো।মধু ও টকদই
একটি বাতিতে ২/৩ টেবিল চামচ মধু নিয়ে এতে দিন ১/২ টেবিল চামচ টক দই। খুব ভালো করে মিশিয়ে পেস্টের মত তৈরি করে ত্বকে লাগান। ৩০ মিনিট ত্বকে রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ঘষে তুলে ফেলুন। নিয়মিত ব্যাবহারে মেছতার দাগ থেকে মুক্তি পাবেন।
লাউ
এক টুকরো লাউ নিয়ে চুলার আগুনে হাল্কা করে পুড়ে নিন। এই পোড়া লাউ মেছতার দাগের ওপর ঘসুন ভালো করে। প্রতিদিন এই পদ্ধতিটি পালন করুন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই মেছতার দাগ থেকে রেহাই পাবেন।
দারুচিনি ও দুধ
এক চিমটি দারুচিনি গুড়ো এবং সামান্য দুধের সর হাতের তালুতে আঙুল নিয়ে ভালো করে মেশান। এরপর এই মিশ্রণটি মেছতার দাগের ওপর লাগান। শুকিয়ে এলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে আলতো ঘষে তুলে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহারে দ্রুত ফল পাবেন।
মধু ও অর্জুন গাছের ছাল
অর্জুন গাছের ছাল জোগার করে রোদে শুকিয়ে গুড়ো করে নিন। প্রতিদিন ১ চা চামচ এই গুড়োতে পরিমাণ মত মধু মিশিয়ে পেস্টের মত তৈরি করে মেছতার দাগের ওপর লাগান। ৩০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহারে ভালো ও দ্রুত ফল পাবেন।
মেঘ
সুস্থ সুন্দর ত্বক আমাদের সকলেরই কাম্য। সুন্দর ত্বক আমাদের সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তোলে। আমরা প্রত্যেকেই চাই আমাদের দেখতে আকর্ষণীয় লাগুক। এর জন্য আমরা অনেকেই অনেক কিছু করে থাকি। কিন্তু সব সময় ত্বকের সব সমস্যার সমাধান হাতের কাছে পাওয়া যায় না। কিন্তু ঘরোয়া ভাবে অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল ত্বকের ৪ টি সমস্যার ঘরোয়া সমাধান।
মুখের ত্বকে তাৎক্ষণিক লাবণ্য
দিন শেষে বাসায় ফিরে মুখের দিকে তাকালে সন্ধ্যার বা রাতের কোনো অনুষ্ঠানে যাওয়ার ইচ্ছেটাই উবে যায়। তখন দরকার মুখের ত্বকের তাৎক্ষণিক লাবণ্য ফিরিয়ে আনা। এর জন্য রয়েছে একটি ভেষজ সমাধান। আধা চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগিয়ে নিন ভালো করে। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন মুখে এসেছে তাৎক্ষণিক লাবণ্য।
হাত ও পায়ের ত্বকের কালো ছোপ ও রুক্ষতা
এই সময়ে সারাদিন ঘোরাঘুরিতে সব চাইতে বেশি ক্ষতি হয় হাত এবং পায়ের। রুক্ষ হয়ে যায় হাত পায়ের ত্বক। কালো ছোপ পড়ে কড়া রোদের জন্য। এইসময় হাত পায়ের সৌন্দর্য ধরে রাখতে হলে হাত ও পায়ের ত্বকে আপেলের খোসা ঘষে নিন নিয়মিত। এতে হাত ও পায়ের ত্বকের রুক্ষতা এবং কালো ছোপ দূর হবে।
মুখে বাদামী ছোপ পড়লে
অনেকের মুখের ত্বকে বাদামী ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। অনেকে একে মেছতা বলে ভুল করেন। কিন্তু আসলে এটি মেছতা নয়। এই ছোপ ছোপ দাগ দূর করতে পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
মুখের ত্বকের দাগ দূর করতে
মুখে অনেক সময় নানা কারণে দাগ পড়ে। ব্রণের দাগ, পোড়া দাগ, কিংবা লালচে কিছু দাগ। এই সমস্যার সমাধান করতে। সমপরিমান তুলসী পাতার রস ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে দুই বেলা নিয়মিত মুখে লাগান। দ্রুত যে কোন দাগ মিলিয়ে যাবে।
মেঘ